শিরোনাম :

যার তথ্যে ধরা পড়লেন শাহেদ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অন্যতম সহযোগী সংস্থাটির এমডি মাসুদ পারভেজের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহেদকে করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের আগে শাহেদ বিভিন্ন উপায়ে ঢাকায় এসেছেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও যান। গ্রেপ্তারের আগে কুমিল্লা, কক্সবাজার অঞ্চলেও তার উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়।

বুধবার দুপুর ৩টায় র‌্যাব সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

 

র‌্যাব মহাপরিচালক জানান, গ্রেপ্তার হওয়া এমডির কাছ থেকে শাহেদের পালানোর সম্ভাব্য ধারণা পাওয়া গিয়েছিলো। সেই অনুযায়ী এবং আমাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় কয়েকটি স্থানে। গ্রেপ্তার এড়াতে শাহেদ ঢাকাসহ একেক দিন একেক জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন। বিভিন্ন স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে আমরাও তাকে ফলো করেছি। এর মাঝে তিনি ঢাকায় এসেছেন কয়েকবার। একেক সময় একেক বাহন ব্যবহার করেছেন, ব্যক্তিগত, অন্য ট্রান্সপোর্ট, ট্রাক এমনকি পায়ে হেঁটে তিনি অবস্থান পরিবর্তন করেন।

 

র‌্যাব ডিজি বলেন, শাহেদের দেয়া তথ্যমতে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৪৬ হাজার জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। আজই তাকে ডিএমপির তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

বুধবার ভোররাতে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে অস্ত্রসহ শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নদী পেরিয়ে শাহেদ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে কয়েকদিন ধরেই সাতক্ষীরায় অবস্থান করছিলেন।

 

র‌্যাব জানায়, বোরকা পরে নৌকায় করে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন শাহেদ। তবে র‌্যাবের নজরদারির কারণে তিনি ব্যর্থ হন। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার সকাল ৯টার দিকে র‌্যাবের হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। এসময় র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, গোঁফ কেটে চেহারা বদলে পাগলের বেশ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন শাহেদ।

 

করোনা আক্রান্ত রোগীদের সাথে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর থেকেই পলাতক ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদ। তাকে ধরতে কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুসন্ধান চালায় র‌্যাব।

 

উল্লেখ্য. ৬ জুলাই সোমবার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল দুটিকে সিলগালা করে দেয় র‌্যাব। এ ঘটনায় ১৭ জনকে আসামি করে উত্তরা পঞ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলাটি ঢাকা মহানগর উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023