স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের মতোই মানুষ চলাচল করছে। গায়ে গা লাগিয়ে চলাচল দেখে বোঝার উপায় নেই মানুষের মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভীতি রয়েছে। একদিকে যাত্রীরা ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছে, অন্যদিকে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন মার্কেট খোলার ঘোষণা দেয়ায় ঢাকামুখী মানুষের চলাচল বেড়েছে। কর্মমুখী মানুষ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌ-পথ পার হয়ে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকায় কর্মমুখী শতশত মানুষ হচ্ছে ফেরি পারাপার হচ্ছে গাদাগাদি করে। আবার ঢাকা থেকে শতশত যাত্রী ঘরমুখী হচ্ছে। এ সময় ফেরিঘাটে যাত্রীদের মাঝে কোন সামাজিক দূরত্ব নিয়ে চলতে দেখা যায়নি। বরং ফেরিতে ওঠা-নামার সময় যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
এদিকে আইনশৃংখলা বাহিনীর কোন সদস্যকে ফেরিঘাট এলাকায় আজও দেখা যায়নি। এতে জনসাধারণকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি।
এ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে প্রায় দুইমাস ধরে। স্বল্প পরিসরে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। আগে যেখানে ১৫ থেকে ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হত। এখন করোনাভাইরাসের কারণে তা সীমিত আকারে ৬ থেকে ৭টি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। ফেরিগুলোতে পণ্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স নদী পারাপার হচ্ছে। সেইসাথে যাত্রীরা দৌলতদিয়া এবং পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে পারাপার হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ জানান, এই রুটে বর্তমান ২টি রোরো (বড়) ফেরি ও ৪টি ইউটিলিটিসহ (ছোট) মোট ৬টি ফেরি চলাচল করছে পণ্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স পারাপার করার জন্য। বিকালে যানবাহনের চাপ বেশি থাকলে ফেরির সংখ্যা ও বাড়ানো হয়।
তিনি জানান, যানবাহন পারাপারের সময় প্রতিটি ফেরিতে শতশত যাত্রী নদী পারাপার হচ্ছে। ফেরি চলাচল করলে যাত্রী পারাপার করবে, তা রোধ করা সম্ভব নায়। যাত্রী পারাপার নিয়ন্ত্রণ করে ঘাট ইজারাদার এ পুলিশ প্রশাসন। এতে বিআইডব্লিউটিসির কিছু করার নেই।