শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য সুরক্ষা মাথায় রেখেই চালু কারখানা, বেতন যথাসময়ে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

মহামারি আকারে ছড়াতে থাকা নভেল করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশেও প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এ সংক্রমণের প্রভাব পড়েছে দেশের তৈরি পোশাকখাতেও। বাতিল হচ্ছে একের পর এক অর্ডার। ইতোমধ্যে এক দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্ডার বাতিল হয়েছে। এ নিয়ে উদ্বেগে সংশ্লিষ্টরা।

 

 

দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট, পরিবহন বন্ধের ঘোষণা এলেও ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছ চলেছেন দেশের কয়েক লাখ তৈরি পোশাক শ্রমিক। তবে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শ্রমঘন পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যথাযথ স্বাস্থ্য ঠিক রেখে উৎপাদনে আছে শিল্প-কারখানাগুলো।

 

অপরদিকে ঝুঁকি বিবেচনায় এনে স্ব-বেতনে কারখানা বন্ধ করার পক্ষে শ্রমিক নেতারা। তারা বলছেন স্ব-বেতনে অনন্ত দুই সপ্তাহের ছুটি দেওয়া হোক শ্রমিকদের। আবার অনেক শ্রমিক নেতা বলছেন, কারখানা চালু থাকলেও শ্রমিকের স্বাস্থ্যের বিষয়টি যথাযথভাবে দেখার পরামর্শ দেন। প্রতিটি কারখানায় প্রয়োজনীয় উপকরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখার পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে সচেতন এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তারা।

 

তবে কারখানা বন্ধ করার কোনো কারণ নেই বলছেন উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, কাজ না থাকলে কেউ কারখানা বন্ধ করতে পারেন, সেটা একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। তবে শ্রমিকের বেতন নির্দিষ্ট সময়ে দিতে হবে বলে মত তাদের। কারখানা চালু রাখার পক্ষে মালিকরাও। তারা বলছেন, কারখানা বন্ধ করার কোনো কারণ নেই, সরকারের দিকনির্দেশনা মেনেই কারখানা পরিচালিত হবে।

 

কারখানা মালিকদের মতে, শ্রমিকের যথাযথ স্বাস্থ্য ঠিক রেখে উৎপাদনে আছে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত কারখানাগুলো। কারখানা বন্ধ হলে বেতন-বোনাস নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ হতে পারে। তবে গার্মেন্টস বন্ধ হোক বা না হোক, বেতন বোনাস যথাসময়ের শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে যাবে।

 

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনেই প্রায় ৯ হাজার ২৪৯ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ১৩২ জন। মৃতের সংখ্যার দিক থেকে পিছিয়ে নেই স্পেনও। ২৪ ঘণ্টার হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৫১৪ জন। আর একদিনেই আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৪৯ জন।

 

ফ্রান্স, ইরান, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডে প্রতিদিনই রোগী ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে ২ হাজার ৪৪৮ জন আক্রান্তের বিপরীতে মারা গেছেন ২৪০ জন। ইরানে ১ হাজার ৭৬২ জনের বিপরীতে ১২২ জন, জার্মানিতে ৩ হাজার ৯৩০ জনের বিপরীতে ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যে ১ হাজার ৪২৭ জনের বিপরীতে ৮৭ জন ও নেদারল্যান্ডে ৮১১ জনের বিপরীতে ৬৩ জন মৃত্যুবরণ করেছে।

 

এদিকে প্রাণঘাতী করোনায় সংক্রমণের হুমকির মুখে ২১ দিনের জন্য সারা ভারত লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023