নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার নন্দীগ্রামে যুবলীগ নেতা ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্ত ও তার সহযোগীদের হাতে প্রহৃত হয়েছেন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) কনস্টেবল আব্দুল মতিন। ঘটনার পর থেকে দুলাল মহন্ত পলাতক রয়েছেন। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্তকে খুঁজছে পুলিশ। তবে পুলিশ যুবলীগের দুইনেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃরা হলেন- উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন সুমন (৩৯) ও সদস্য প্রসান্ত কুমার।
জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল মতিন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। এসময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি দুলাল চন্দ্র মহন্ত মাতাল অবস্থায় তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে কন্সটেবল আব্দুল মতিনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং শারিরিকভাবে লাঞ্চিত করেন। রাতেই পুলিশ দুলাল মহন্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায়। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। রাতেই জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) কনস্টেবল আব্দুল মতিন বাদী হয়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্তসহ ৬ জনের নামে মামলা করেছেন। এ প্রসঙ্গে জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু বলেন, এরআগে দুলাল চন্দ্র মহন্ত গাঁজাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। তার বহিস্কার এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শওকত কবির বলেন, এ ঘটনায় ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল মহন্তসহ ৬ জনের নামে মামলা হয়েছে। মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।