চা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি কার্সিনোজেনিক যৌগ আছে, যেগুলো শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। আমাদের অনেকেই আছেন যারা সারাদিন কাজের ফাঁকে ঘন ঘন চা
পাকা হোক বা কাঁচা, দুই অবস্থাতেই কলা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। কলা এমন একটি ফল, যা পেট ভরায়, পুষ্টিগুণ যোগায়, শরীরের নানা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। কিন্তু জানেন
রান্নার মসলা হিসেবে লবঙ্গ আমরা প্রায় সকলেই চিনি। লবঙ্গ গাছের ফুলের কুঁড়ি শুকিয়ে তৈরি হয় লবঙ্গ। শরীরের বেদনানাশক এবং জীবানুনাশক উপদান উপস্থিতি রয়েছে লবঙ্গে । লবঙ্গ দিয়ে তৈরি তেলে প্রচুর
সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁয়াচে রোগ কনজাংকটিভা বা চোখের প্রদাহ। একে চোখ ওঠা রোগও বলা হয়। আক্রান্ত হচ্ছেন সব বয়সী মানুষ। তবে শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও
তেজপাতা একটি সুগন্ধিযুক্ত ঔষধি পাতা। স্যুপ, পায়েস, পোলাও ও অন্যান্য সিদ্ধ জাতীয় খাবারে সুগন্ধ যোগ করতে এ পাতা ব্যবহার করা হয়। প্রাচীন গ্রীকে ঐতিহ্যগত ওষুধ তৈরিতে তেজপাতা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা
হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী মনে করা হয় শরীরের সোডিয়ামের স্তরকে। এর কারণ হলো- সোডিয়াম আমাদের রক্তে ফ্লুইডের পরিমাণ ও সমতা বজায় রাখে। আমরা যে লবণ খাই তাতে থাকে
পান্তা ভাত অনেকেই খেয়ে থাকেন। খাবারটি গ্রীষ্মের জন্য উপযুক্ত। কারণ, এটি পাচনতন্ত্রকে ঠান্ডা করে এবং শরীরকে তাপ থেকে রক্ষা করে। আলু ভাজা, কাঁচা লঙ্কা, পিয়াজ, লেবু, মাছ ভাজা, পাঁপড় এবং
কম ঘুম যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ঠিক তেমনি বেশি ঘুমও ডেকে আনতে পারে বিপদ। শরীর সুস্থ থাকতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। তার মধ্যে রাতের ঘুম সবার
বর্তমান মৌসুমটা চলছে ফলের মৌসুম। এ সময়ে আমাদের কাছে বেশ সুপরিচিত একটি ফল হলো জামরুল। দেশের প্রায় সব জায়গায় পাওয়া যায় এই ফলটি। জামরুল সাধারণত দুই রকমের হয়ে থাকে সাদা
ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আমরা সাধারণত সব ধরনের ফলের খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে থাকি। তবে এমন কিছু ফল রয়েছে যা খোসা না ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত। বিশষজ্ঞরা বলেছেন, তাজা ফল