সারাদেশে তীব্র ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন। এর মাঝেই বুধবার (১৭ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া অফিস। এ কারণে আরও বাড়তে পারে শীতের
দেশজুড়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। যার বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সোমবার রাতে সবশেষ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর জানায়,
পৌষের শেষদিকে শীতের দাপটে কাঁপছে সারাদেশ। বেশিরভাগ জেলায় প্রায় সারাদিনই সূর্যের দেখা মেলে না। ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডা বাতাসে ঠাকুরগাঁওয়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ ডিগ্রিতে। কিশোরগঞ্জ, পাবনা, দিনাজপুর, মেহেরপুর এবং
কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ কষ্টে দিন পার করছেন। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত রাজধানীতে সূর্যের দেখা মেলেনি। তীব্র শীতে
মধ্য জানুয়ারিতে এসে শীতে জেঁকে বসেছে দেশ। সারাদেশে শীতের প্রকোপে নাজেহাল মানুষ। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে মানুষ খুঁজছে নানা উপায়। এর মধ্যে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস জানিয়েছে, আগামী
প্রকৃতিতে বইছে পৌষালী বাতাস। সেই সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপটে কনকনে ঠান্ডা। বৃস্পতিবার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এর পরের বর্ধিত
আগামী দুইদিন কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ
ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের আবহাওয়ার সর্বশেষ সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার জন্য এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা
শনিবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। একদিন আগে যা ছিল ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে
রাতের তাপমাত্রা বা সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় যা সোমবার ছিল ১১ দশমিক ৭