মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষে প্রাণহানি এড়াতে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ জন সদস্য অস্ত্রসহ পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছেন। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জাগো
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে বিদ্রোহী দল আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি)৬৮ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছেন। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত
বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তের ওপারে ফের গোলাগুলি হচ্ছে। মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান সংঘাতের গুলি এসে পড়ে দুজন গুলিবিদ্ধ আহত হয়েছেন। বিদ্রোহীদের তোপের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মিয়ানমারের ১৪
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে দু’পক্ষের গোলাগুলিতে প্রসীতপন্থি ইউপিডিএফের চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ নভেম্বর) দিবা রাতে পানছড়ি উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেহপুর এলাকায় ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সঙ্গে এ ঘটনা
বান্দরবানের রুমায় সেনাবাহিনীর টহল টিমের ওপর কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) সন্ত্রাসীদের আইইডি বিস্ফোরণ ও অতর্কিত গুলিবর্ষণে সেনাবাহিনীর দুজন সেনা নিহত হয়েছে। এ সময় সেনাবাহিনীর আরও দুই কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে ফের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা।গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নে তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় আশ্রয়শিবিরে গোলাগুলি ও আগুন লাগার পর ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা পরিবাররা দুটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। বুধবার সকাল থেকে রোহিঙ্গাদের দুটি
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে মাদক চোরাচালানকারী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে র্যাব ও ডিজিএফআইয়ের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে মাদক চোরাচালানকারীদের গুলিতে দায়িত্বরত অবস্থায় ডিজিএফআইয়ের
আবারও মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি বাংলাদেশে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে এলাকা ছাড়ছেন বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের
বান্দরবানের দুই উপজেলা রুমা ও রোয়াংছড়িতে ‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ আজ (মঙ্গলবার) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পর্যটকদের আগমন বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুন শিবলী এবং রোয়াংছড়ির ইউএনও