নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার নন্দীগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শিক্ষক সহ ৩জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। রবিবার উপজেলার হাটকড়ই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৫২ তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে মাঝগ্রাম এম.এ ফাজিল মাদ্রাসা ও হাটকড়ই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত শিক্ষক সহ তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। এই ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন মাঝগ্রাম এম.এ ফাজিল মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক আবু তালহা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আদেশে ৫২ তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে রবিবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় হাটকড়ই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাঝগ্রাম এম.এ ফাজিল মাদ্রাসা বনাম হাটকড়ই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।৫০ মিনিটের খেলায় উভয় পক্ষের কোন গোল না হওয়ায় টাইব্রেকার এর মাধ্যমে হাটকড়ই উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১-০ গোলে জয়লাভ করে। অভিযোগে শিক্ষক আবু তালহা উল্লেখ করেছেন, খেলা শেষে পরাজিত হয়ে মাঝগ্রাম এম.এ ফাজিল মাদ্রাসার আমার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হাটকড়ই উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অতর্কিত হামলা করে।এর আগে খেলা চলাকালীন সময় উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একসময় তারা আমাদের শিক্ষার্থীদেও উপর আকস্মিক হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে গেলে উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের উপর চড়াও হয় হেনস্থা ও মারপিট করে। এঘটনায় আমাদের ৩জন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়াও শিক্ষকসহ অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী মারপিটের শিকার হয়েছে। উক্ত বিষয় নিয়ে হাটকড়ই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকে নিকট অভিযোগ করলে তিনি কোনরুপ গুরুত্ব দেননি। এ বিষয়ে হাটকড়ই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিককের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, খেলাকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বসার জন্য তাদের ডাকলে তারা আসেন নাই। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।