শিরোনাম :
নীলফামারীতে চামড়ার বাজারে ধস, ক্ষুব্ধ বিক্রেতারা ঈদ-পরবর্তী শাজাহানপুরে মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ মামলায় জরিমানা শাজাহানপুরে জমি নিয়ে সংঘর্ষ, হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় এজাহার দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চললে অনেক ক্ষতি হবে : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তির মৃ’ত্যু সারিয়াকান্দিতে ঈদের দিনে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে নদীতে নেমে দুই কিশোরের মৃত্যু দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা আদ্-দ্বীনে  হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু কাহালুতে পৃর্থক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৩

বাংলাদেশের আবদুল ৮ বছর ধরে ‘নেহা’ পরিচয়ে থাকছে ভারতে, হতবাক পুলিশ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

মুক্তজমিন ডিজিটাল রিপোর্ট:সাম্প্রতিক সময়ে ভিনরাজ্যে বাংলাদেশি অভিযোগে পশ্চিমঙ্গবাসীদের ধরা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মাঝে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। অবৈধ অভিবাসন এবং পরিচয় জালিয়াতির একটি সংগঠিত চক্রের খোঁজ মিলতে পারে এই ঘটনার তদন্ত করলে। সম্প্রতি ভোপাল থেকে আবদুল কালাম নামে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। এই ব্যক্তি গত আট-দশ বছর ধরে নেহা নামে একজন ট্রান্সজেন্ডারের মিথ্যা পরিচয়ে সেখানে বসবাস করছিল। আজ রোববার ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত খবরে বলা হয়,১০ বছর বয়সেই অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল আবদুল। এরপর প্রায় ২০ বছর সে মুম্বইতে ছিল। এরপর সে ভোপালে চলে আসে এবং বিগত প্রায় একদশক ধরে ‘নেহা’ পরিচয় নিয়ে একজন ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে বসবাস করছিল ভোপালে। স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গের সমাজের মধ্যে বেশ সক্রিয় ছিল আবদুল। এদিকে নিজের ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় নথিও করায় আবদুল। স্থানীয় এজেন্টের সাহায্যে আধার, রেশন কার্ড থেকে পাসপোর্ট পর্যন্ত করিয়ে ফেলে সে। এমনকী সেই ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশ থেকে ঘুরে পর্যন্ত এসেছে আবদুল।

এদিকে বায়োলজিকালি আবদুল ট্রান্সজেন্ডার কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে ভোপালের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও তৃতীয় লিঙ্গের সমাজের সঙ্গে যুক্ত আবদুল। এই আবহে পুলিশের সন্দেহ হচ্ছে, এটা কোনও বড় নেটওয়ার্ক কি না। এদিকে তৃতীয় লিঙ্গের সমাজের বাকিরা আবদুলের বিষয়ে সত্যিটা জানতেন কি না, সেই বিষয়েও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে আবদুলকে ‘নেহা’ পরিচয়ে নথি জোগাড় করতে যে দুই যুবক সাহায্য করেছিল, তাদেরকে পুলিশ জেরা করছে। পুলিশ আশঙ্কা করছে, এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। আবদুলের ফোনের চ্যাট এবং কল রেকর্ড খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আপাতত আবদুলকে ৩০ দিনের জন্য ফরেনার্স অ্যাক্টে আটক রাখা হয়েছে। এদিকে ডিসিপি শালিনী দিক্ষিত জানিয়েছেন, ভোপালে ‘নেহা’ পরিচয়ে থাকাকালীন ভারতীয় পাসপোর্টে বাংলাদেশে পর্যন্ত গিয়েছিল আবদুল। এদিকে আবদুলকে বাংলাদেশে ডিপোর্ট করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তার আগে আবদুল কোনও চক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। এদিকে এই মামলায় হতবাক পুলিশ এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023