স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের জন্য জীবাণুমুক্ত ফল পাঠিয়েছেন স্থানীয় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলন। বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ্ কমিউনিটি হাসপাতালে ফলগুলো পাঠানো হয়েছে।
করোনা দূর্যোগে বগুড়ার কর্মহীন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ১০ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন কমার্শিয়ালি ইমপর্টেন্ট পার্সন বা সিআইপি হিসেবে মনোনীত মাসুদুর রহমান মিলন। পাশাপাশি করোনাকালে সহায়তা করেছেন অর্থ কষ্টে থাকা জেলার নন-এমপিওভুক্ত ১৩০জন শিক্ষককে। তাদের প্রত্যেকের হাতে তিনি ৩ হাজার টাকা করে তুলে দিয়েছেন। এছাড়া সন্দেহভাজন করোনা রোগী এবং কোভিড-১৯ পজিটিভদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে এর আগে খাদ্যও সহায়তা দিয়েছেন তরুণ এই ব্যবসায়ী।
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারর্স অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক মিলন সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছেন পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্যদের। করোনার বিরুদ্ধে সামনের সারির ওই যোদ্ধাদের তিনি পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইমপেন্ট (পিপিই) এবং মাস্কও প্রদান করেছেন।
বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল জানিয়েছেন, চেম্বার সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলনের পক্ষ থেকে বুধবার সকালে ১২৩জন রোগীর জন্য নানা রকম ফল ভর্তি একটি করে প্যাকেট পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ফলগুলো গ্রহণ করে তা রোগীদের কাছে পঠিয়ে দিয়েছি।’
বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলন জানান, এর আগে তিনি বেসরকারি টিএমএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ্ কমিউনিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্যও ফল পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, ফলগুলোতে যাতে কোন জীবাণু না থাকে সেজন্য সেগুলো কেনার পর তা বিশেষায়িত একটি প্রতিষ্ঠানে জীবানূমুক্ত করা হয়। মাসুদুর রহমান মিলন বলেন, ‘যারা করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন তারা যেন নিজেদেরকে একা না মনে করেন সেজন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’