শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

করোনায় চতুর্মুখী ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎ খাত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ১১ মে, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

করোনাভাইরাস রোধে দেশে চলছে বিভিন্ন বিধি নিষেধ। বন্ধ হয়েছে আছে প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। আর এর প্রভাবে চতুর্মুখী ক্ষতির মুখোমুখি বিদ্যুৎ খাত। পাওয়ার সেলের হিসাবে এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে সেই ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের ২ মে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১১ হাজার ২শ’ মেগাওয়াট।

 

চলতি বছর একই তারিখে চাহিদা ৭ হাজার ৫১৮ মেগাওয়াট। আগের বছরের চেয়ে যা ৩ হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট কম। সব ঠিক থাকলে বাড়ার কথা ছিলো বিদ্যুৎ চাহিদা। কিন্তু করোনা পাল্টে দিয়েছে সব।

 

এ বছরেই উৎপাদনে এসেছে বড়-বড় কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সবমিলিয়ে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ শতাংশেরও বেশি। কিন্তু এখন কমই ব্যবহার হচ্ছে সেই ক্ষমতা। চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্র না চললেও দিতে হয় ক্যাপাসিটি ভাড়া।

 

বিদ্যুৎ খাতের নীতি সহায়তা প্রতিষ্ঠান-পাওয়ার সেল জানায়, একদিকে কমেছে বেচাবিক্রি, অন্যদিকে টানতে হচ্ছে ক্যাপাসিটি ভাড়া। দুইয়ে মিলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎখাত।

 

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন-সঞ্চালন ও বিতরণ সবদিকেই ক্ষতির মুখে বিদ্যুৎখাত। ভতুর্কি কমানোর অজুহাতে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের আগেআগেই বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। তারপরও ৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে। এর সাথে আবার যুক্ত হবে নতুন হিসাব। সেই টাকা আসবে কোই থেকে?

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে, ভর্তুকির পরিমাণ বাড়বে। তবে ভর্তুকির বাইরেও অন্যকোনো খাত থেকে টাকা নেয়া সম্ভব কিনা সেটিও পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023