বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন আমি দেখেছি: মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশিদের অপরিসীম আবেগ-অনুরাগ বিশ্ববাসীর মনোযোগ কেড়েছে। মেসিদের প্রতি বাংলাদেশিদের ভালোবাসায় মুগ্ধ গোটা লাতিন আমেরিকা। এমন সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বকাপের সময় ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও।

এবার সেই ভালোবাসার প্রাপ্তিস্বীকার করলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক, ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসি।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বকাপের শিরোপা জয় নিয়ে আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম ওলে পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন লিওনেল মেসি। বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা (বাংলাদেশের সমর্থন) আমার চোখে পড়েছে। সব জায়গায় ১০ নম্বর জার্সি, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সোফি মার্টিনেজ (আর্জেন্টাইন সাংবাদিক) আমাকে সব দেখিয়েছিল। আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি এভাবে পৃথিবীর নানা প্রান্তে দেখা, সত্যিই দুর্দান্ত ব্যাপার।’

বাংলাদেশের সঙ্গে আর্জেন্টিনার ভৌগোলিক দূরত্ব প্রায় ১৭ হাজার কিলোমিটার। কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে আলবিসেলেস্তাদের নিয়ে বাংলাদেশের উন্মাদনা আর্জেন্টিনা তো বটেই, নজর কেড়েছে সারা বিশ্বের। কাতার বিশ্বকাপের পর দূরত্বটা যেন কমে গেছে। বাংলাদেশে দূতাবাস খোলার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দূতাবাস উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালীন আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থন নিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়েছিল। টুইটারে বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনার ছবিও প্রকাশ করেছিল আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা।

শুধু তাই নয়, দেশটির শহর বুয়েনস আয়ারসেও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়েছিল। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেম দেখে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনও (ফিফা) অবাক হয়েছিল। টুইটারে সংস্থাটিও এখানকার ফুটবল উন্মাদনা তুলে ধরেছিল।

বিশ্বকাপ চলাকালে স্কালোনি বাংলাদেশকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়, প্রথমে দিয়েগো (ম্যারাডোনা), পরে মেসির কারণে আর্জেন্টিনার ফুটবলের সমর্থক বেড়েছে। বাংলাদেশে আমাদের এমন সমর্থন আছে জেনে আমি গর্বিত। শুধু বাংলাদেশেই নয়, অন্য অনেক দেশের মানুষও আমাদের সমর্থন করে।‌’

উল্লেখ্য, কাতারের মাটিতে ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে মেসি ছিলেন আপন মহিমায় উজ্জ্বল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দুটিসহ সাত গোল করেন। পাশাপাশি সতীর্থদের চার গোলে অবদান রাখেন। এমন নৈপুণ্যের কারণে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জেতেন তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023