শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

দেশত্যাগের চেষ্টা, শিশুসহ ১১২ রোহিঙ্গাকে কারাদণ্ড দিল মিয়ানমার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৩

দেশ ছেড়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তারকৃত ১২ শিশুসহ ১১২ জন রোহিঙ্গাকে কারাদণ্ড দিয়েছে মিয়ানমারের একটি আদালত।

মিয়ানমারের দক্ষিণ আইয়ারওয়াদি অঞ্চলের বোগালে আদালত ৬ জানুয়ারি রোহিঙ্গাদের এই দলটিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। মঙ্গলবার স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার এই তথ্য জানিয়েছে।

আদালতের নথি অনুসারে, প্রাপ্তবয়স্কদের সবাইকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও ১২ শিশুর মধ্যে পাঁচজনের বয়স ১৩ বছরের কম, তাদের দুই বছরের কারাদণ্ড এবং বড় শিশুদের তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সোমবার তাদের একটি ইয়ুথ ট্রেনিং স্কুলে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে কোনও সরকারী নথিপত্র ছাড়াই একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে দেশত্যগের সময় দলটিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীর নির্মম নিপীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা কয়েক লাখসহ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তবে প্রতি বছর হাজার হাজার রোহিঙ্গা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই অঞ্চলের অন্যান্য মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ভ্রমণের জন্য বিপদজনক যাত্রা করে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) বলেছে, ২০২২ বৌদ্ধ-সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের জন্য প্রায় এক দশকের মধ্যে সমুদ্রে সবচেয়ে মারাত্মক বছর হতে পারে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বলেছেন, ২০২১ সালের তুলনায় গত বছর রোহিঙ্গাদের এ ধরনের ভ্রমণের সংখ্যা ছয়গুণ বেড়েছে।

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, আনুমানিক ১ হাজার ৯২০ জন রোহিঙ্গা এই বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মধ্যে সমুদ্রপথে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ ছেড়েছে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া নৌকাগুলোর জন্য একটি সাধারণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং পাচারকারীরা সেখানে শরণার্থীদের একটি ভাল জীবন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

গত কয়েক মাসে শত শত রোহিঙ্গা আচেহ পৌঁছেছে, যার মধ্যে ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রায় ২৫০ জন রোহিঙ্গাসহ কমপক্ষে তিনটি নৌকাও রয়েছে।

চলতি সপ্তাহের রোববারও ১৮৫ রোহিঙ্গা নিয়ে আরও একটি নৌকা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছেছে। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে ১৮৫ জন রোহিঙ্গা নিয়ে আচেহ প্রদেশের বেসারে পৌঁছেছে, তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সূত্র: আলজাজিরা

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023