শিরোনাম :
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান

বগুড়ায় ফিস্টুলা রোগী শনাক্তকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে মতবিনিময়

স্টাফ রির্পোটার,বগুড়া
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

বগুড়ায় প্রসবজনিত ফিস্টুলা রোগী শনাক্তকরণের লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে শহরের স্থানীয় রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স কক্ষে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ও ল্যাম্ব হাসপাতাল এ সভার আয়োজন করে।

বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে সভায় ফিস্টুলা নিয়ে আলোচনা করেন বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয়, ইউএনএফপিএ ফিস্টুলা বিষয়ক টেকনিক্যাল অফিসার ডা. অনিমেষ বিশ্বাস, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার ডাঃ সাদিয়া সুলতানা, ল্যাম্ব হাসপাতালের ফিস্টুলা নির্মূল প্রজেক্টের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহাতাব লিটন, ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার ডাঃ তাহমিনা খাতুন সোনিয়া, জেলা এসআরএইচআর অফিসার ডাঃ ইশরাত আরা এবং ল্যাম্ব হাসপাতালের ফিস্টুলা নির্মূল প্রজেক্টের জেলা সমন্বয়কারী (বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ) শরীফুল ইসলাম শরীফ। এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর এবং দৈনিক করতোয়ার সাংবাদিক নাসিমা সুলতানা ছুটু।

সভায় ফিস্টুলা নিয়ে চিকিৎসকরা বলেন, বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত প্রসবের কারণে মূলত বেশির ভাগ প্রসবজনিত ফিস্টুলার সৃষ্টি হয়। বিলম্বিত প্রসবের সময় বাচ্চার মাথা ৩ থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে যোনিপথে আটকে থাকলে পেছনের ও সামনের দুই হাড়ের মাঝের আশপাশের মাংসপেশি, যেমন: মূত্রথলি ও কোনো কোনো সময় পায়ুপথে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এই সব মাংসপেশিতে পচন ধরে এবং শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সেখানে ছিদ্র হয়ে ফিস্টুলার সৃষ্টি হয়। যার ফলে মাসিকের রাস্তা দিয়ে অনবরত প্রসাব-পায়খানা ঝরতে থাকে।

প্রসবজনিত ফিস্টুলার জন্য উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হচ্ছে বাল্য বিয়ে, বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত প্রসব, অদক্ষ দাইয়ের হাতে সন্তান প্রসব, প্রসূতির পুষ্টিহীনতা, ঘন ঘন সন্তান প্রসব, বাড়িতে সন্তান প্রসব।

তারা আরও বলেন, ফিস্টুলা রোগী চেনার সহজ উপায় রোগীর সব সময় প্রস্রাব বা পায়খানা অথবা উভয়ই ঝরতে থাকবে, সে ক্ষেত্রে রোগী প্রস্রাব-পায়খানার কোন বেগ অনুভব করবেন না, সব সময় তার কাপড় ভেজা থাকবে। সন্তান ডেলিভারীর পর কিংবা তলপেট বা জরায়ুতে কোন অপারেশনের ভুলেও এ রোগ হতে পারে।

 

ইউএনএফপিএ ফিস্টুলা বিষয়ক টেকনিক্যাল অফিসার ডা. অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, ‘ফিস্টুলা রোগীরা সামাজিক ও পারিবারিকভাবে অবহেলিত হয়ে নিজেকে গুটিয়ে রাখতে রাখতে এক সময় তারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ফিস্টুলা রোগীদের সরকারি হাসপাতালগুলোতে অপারেশনের মাধ্যমে সুস্থ করা হয়। এছাড়া দরিদ্র রোগীদের সম্পূর্ণ বিনা খরচে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন করছে পার্বতীপুরে অবস্থিত ল্যাম্ব হাসপাতাল। তাই কোন ফিস্টুলা রোগী যদি চিহ্ণিত হয় তবে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা হাসপাতালে জানাতে অনুরোধ করেন বক্তারা।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023