শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশে ৫০৭ প্রতিষ্ঠান কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সারাদেশে ৫০৭ প্রতিষ্ঠান কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত। সোমবার গণভবন থেকে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন তিনি। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়।

 

করোনাভাইরাসের কারণে অনেক অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের থাবা এসে পড়েছে। সবাইকে এ ব্যাপারে সুরক্ষিত থাকতে হবে। আমাদের দেশের অনেকেই এটি ভালোভাবে মানতে চান না। যার ফলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে।

 

তিনি বলেন, সারাবিশ্ব এই ভাইরাসের জন্য আতঙ্কিত। আমার মনে হয় বিশ্বে এ ধরনের পরিস্থিতি এর আগে কখনো তৈরি হয়নি। বিশ্বে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির। এমনকি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মক্কা-মদিনা, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা সবকিছু বন্ধ। বাংলাদেশেও বিশ্বের একটি দেশ। তাই যথাযথ ব্যবস্থা আমরা শুরু থেকেই নেয়া শুরু করেছি।

 

করোনা প্রতিরোধে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেসব নির্দেশনা যেন সকলে মেনে চলেন। মানুষের সমাগম হয় সেখানে না থাকা, নিজেকে সুরক্ষিত রাখা, এটা একান্তভাবে প্রয়োজন। এটা জেনে করা হয়। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এসব জেলায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেশি। সাথে সাথে দেখতে পাচ্ছি কিছু কিছু জেলা আক্রান্ত হয়নি। এসব জেলায় যাতে প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে না পড়ে সেই ব্যবস্থা নিয়েছি।

 

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কর্মরত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সব ধরনের নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে। সবাই যেন এটি ব্যবহার না করে। যেগুলো সম্পূর্ণ রোগী দেখার জন্য সেগুলো রোগী দেখার জন্যই থাকবে। হাসপাতালে কর্মরত তাদের জন্যই শুধু ব্যবহার করা যাবে।

 

তিনি বলেন, এপ্রিল মাসটি আমাদের জন্য একটু কষ্ট হবে। এ মাসে সাবধানে থাকতে হবে। তারপরও ইউরোপ-আমেরিকায় যে পরিমাণ রোগ সংক্রমিত হয়েছে তার তুলনায় আমাদের দেশে কম। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে বাঙালি মারা গেছে সে তুলনায় সারাদেশে কম।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023