শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বান্দরবানের ৩ উপজেলায় লকডাউন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

বান্দরবানের লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও আলীকদমসহ তিন উপজেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন।

 

তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী জেলা কক্সবাজারে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ায় সতর্কতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

 

লকডাউনের আওতায়, এই তিন উপজেলার বাসিন্দাদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সাথে অন্য উপজেলা থেকেও মানুষজন এই উপজেলায় যাতায়াত করতে পারবে না। শামীম হোসেন বলেন, আপাতত এই তিন উপজেলা ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে আমরা মনে করছি। যার কারণে এই সিদ্ধান্ত।

 

তিনি বলেন, এই তিন উপজেলা থেকে কক্সবাজারে প্রতিদিনই অনেক মানুষ যাওয়া-আসা করে। তাদের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এই তিনটি উপজেলা ছাড়া আর কোনো উপজেলায় এখনো লকডাউন করা হয়নি।

 

প্রয়োজন হলে এ বিষয়ক কমিটির সাথে আলোচনা করে পরবর্তী নির্দেশনা জানানো হবে বলেও জানান তিনি। লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-এ-জান্নাত রুমি জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত লকডাউনের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

 

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ যাতায়াত করে। তাদের মাধ্যমে যাতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে না পরে তার জন্য সতর্কতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন জানান, কক্সবাজারে এ পর্যন্ত এক জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।

 

ওই ব্যক্তি ও তার দুই ছেলের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়া চকোরিয়ার খুটাখালি এলাকায় থাকা তাদের গ্রামের বাড়ি ও এর আশপাশের এলাকা লকডাউনে রয়েছে। তবে আলাদা করে কোন উপজেলায় লকডাউন করা হয়নি বলেও জানান কামাল হোসেন।

 

এদিকে, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় লকডাউনের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম যদিও এটাকে লকডাউন বলতে চাচ্ছেন না।

 

তিনি বলছেন, সতর্কতার অংশ হিসেবে তিনি হাট-বাজার বন্ধ করেছেন, লোক সমাগম নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং উপজেলার প্রবেশপথ দিয়ে যে যানবাহন আসছে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছেন।

 

এই উপজেলায় ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনাকারী এনজিওগুলোকে তাদের কিস্তি সংগ্রহ কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ১৯ মার্চ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রথম জায়গা হিসেবে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলাকে লকডাউন করা হয়।

 

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, ওই উপজেলায় সম্প্রতি ৬৩৯ মানুষ ইটালি, গ্রিস, স্পেন কিংবা জার্মানি থেকে এসেছেন বলে এই সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

 

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের টোলারবাগ এলাকায় এক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর সীমিত আকারে ওই এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।

 

ওই ব্যক্তি যে ভবনে থাকতেন তার আশেপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সীমিত করা হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলও। এছাড়া ঢাকার পুরনো অংশে ঢাকেশ্বরী মন্দির এলাকাতেও সম্প্রতি নোটিশ দিয়ে লকডাউন করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023