বিধির বিধান যায় না খন্ডান, জন্ম থেকেই কোমর থেকে দুই পা অকেঁজো সুলতানা আক্তারের। স্বাভাবিক মানুষের থেকে চলাচল করা অত্যন্ত দুষ্কর সুলতানার।
জানা গেছে, সুলতানা আক্তারের বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের সড়ক পাড়া গ্রামে। ২০ বছর আগে পরপারে চলে গেছেন তার বাবা-মা। তিন মাস পর পর প্রতিবন্ধীভাতা দিয়ে ভরণপোষণ চালানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে সুলতানার। ২০১৯ইং সালে বড় ভাই প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করার সুযোগে বাড়িতে সুলতানার পরিবারের লোকজনের সাথে সুলতানা নিজেও কাগজের শপিং ব্যাগ তৈরির কাজ করত। কিন্ত টিস্যুর ব্যাগ বাজারে আসার কারণে কাগজের শপিং ব্যাগ তৈরির কাজ বন্ধ হয়ে যায় প্রতিবন্ধী সুলতানার। তিনি দুই বছর যাবৎ কর্মহীন হয়ে আছেন। কর্ম হারিয়ে ভাইয়ের টানাপোড়নের সংসারে নিজেকে এখন সে বোঝা মনে করছে। হস্তশিল্পের কোনো কাজ পেলে সে করতে আগ্রহী। আর এই অবস্থায় কারোর কাছে যেতেও পারছে না, বলতেও পারছে না।
এলাকাবাসী জানান, সে ছোটবেলা থেকেই প্রতিবন্ধী। তার স্বভাব আচরণ অত্যন্ত ন¤্রভদ্র। ওর বড় ভাই বর্তমানে অসুস্থ। আগে কাগজের শপিং ব্যাগ তৈরির কাজ করতো। কিন্তু টিস্যু ব্যাগ আসায় কাজ হারিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে সুলতানা। বিধির বিধান মেনে নিয়েই কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকতে চায় আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতো।