বগুড়ার সোনাতলা পৌর নির্বাচন পরবর্তী স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকের সংঘর্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটনসহ চারজন ছুরিকাঘাত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় বিরাজ করছে।
বুধবার দুপুর ১টায় উপজেলার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার পৌরসভা নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ নান্নু ও আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী শাহিদুল বারী খান রব্বানীর দই সমর্থকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। আজ দুপুরে সোনাতলা রেল স্টেশন রোডে সেই দুই সমর্থকের দেখা হলে আবারও কথাকাটাকাটি হয়। পাশেই চা পান করছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লীটনসহ স্থানীয় লোকজন। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে সংঘর্ষের শুরু হয়।
সেই সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের বেধড়ক মারধর ও ছুরিকাঘাতে আহত হন পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক নাহিদ হাসান জিতু (৩৫)। এ সময় এগিয়ে আসেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিনহাদুজ্জামান লীটন। পরে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হলে গুরুতর আহত হন।
এছাড়াও ছুরিকাঘাতে আহত হন উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রশীদ সোহেল (৪৩) ও পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক উৎপল কর্মকার (৩৫)।
আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া আফরিন এ প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেখানে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।