শিরোনাম :
দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্যই ফেসবুকে পোস্ট দেয় তারা

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

সৈকত মন্ডল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশে ফেসবুকে এক মুসলিমকে কুপিয়ে হত্যার পোস্ট দেয়। ওই পোস্টের সূত্র ধরে পীরগঞ্জের জেলে পল্লীর কাছাকাছি একটি মসজিদ থেকে মাইকিং করেন রবিউল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, মাইংকিং করে তৌহিদী জনতাসহ ধর্মপ্রাণ মানুষকে প্রতিরোধের ডাক দেন তিনি। এরপর সৈকত নিজেও একটি উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে হামলায় অংশ নেন।

এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাতে টঙ্গী এলাকা থেকে সৈকত মন্ডল (২৪) ও রবিউল ইসলামকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১৩।

র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার জন্য সামাজিক যোগাযোগের এসব পোস্ট দেয়। আর এ পোস্টকে কেন্দ্র করে রংপুরের পীরগঞ্জের বড় করিমপুর গ্রামে দুর্বৃত্তরা বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট ভাঙচুর ও লুটপাটসহ অগ্নিসংযোগ করে।

র‌্যাব কর্মকর্তা মঈন বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অরাজকতা সৃষ্টি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে হামলা-অগ্নিসংযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারসহ মাইকিং করেছে। গ্রেপ্তার সৈকত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে উস্কানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণকে উত্তেজিত করে তোলে।

এছাড়াও তার নেতৃত্বে গ্রেপ্তার রবিউল মাইকিং করে লোক জড়ো করে ও উঁচু স্থানে বসে বক্তৃতা দিয়ে জনসাধারণকে আক্রণে উদ্বুদ্ধ করে।

সৈকত মন্ডল ছাত্রলীগের কোনো নেতা কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সৈকত রংপুরের একটি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। সে নিজেকে রংপুর ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে প্রচার করতে পারে, কিন্তু তার কোনও রাজনৈতিক পোস্ট-পদবি নেই। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার কোনও সম্পৃক্ততাও আমরা পায়নি।

সৈকত ফেসবুকে কি ধরনের পোস্ট দিতো এমন প্রশ্নের উত্তরে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সৈকত তার ফেসবুকে পেজে বিভিন্ন ছোট-বড় ইস্যুতে নিয়ে উস্কানিমূলক পোস্ট দিতো। মূলত কুমিল্লার ঘটনার পর থেকেই সে ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে আসছিল। এরপর থেকে সৈকত একের পর এক উস্কানিমূলক পোস্ট দিতে থাকে। মূলত তার এসব পোস্ট দেখেই পীরগঞ্জে শত শত লোক জড়ো হয়েছিল।

এক প্রশ্নের জবাবে ব্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার রবিউল প্রথমে পাশের মসজিদ থেকে মাইকিং শুরু করে, পরে সে মাইংকিংয়ের দায়িত্ব তার এক কাজিনকে দেয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023