শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

সোনাতলায় বিনা-১৭ ধান চাষ করে কৃষকের মাথায় হাত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

রিমন আহম্মেদ বিকাশ

বগুড়ার সোনাতলা পৌর এলাকার বড় বাজারের বীজ ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ এর দোকান থেকে বিনা-১৭ ধানের বীজ ক্রয় করে জমিতে ফেলে চারা তৈরি করা হয়। চারা রোপনের মাত্র ২৫ দিন বয়স তাতেই শীষ বের হয়েছে।  এই দৃশ্য দেশে বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার পৌর এলাকার কাবিলপুর গ্রামে নুরজ্জামান কৃষকের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ, দিশে হারা কৃষক।  কৃষক নুরুজ্জামান বলেন, স্থানীয় সোনাতলা বাজারে এক বীজ ডিলার থেকে বীনা-১৭ ধান ১২০দিনে ধানের বাম্পার ফলন বীজ ক্রয় করি। এ বীজে বিঘা প্রতি ২৫ থেকে ৩০ মন ধান পাওয়া যাবে বলে ডিলারের পরামর্শ অনুযায়ী বীজ ক্রয় করি। কিন্তু বীজ বপনের ২৩ দিনের মাথায় বীজ উত্তোল করে চারা লাগাই। চারা লাগানোর ২৫দিনের মাথায় ধানের শীষ বের হওয়ার ৪ বিঘা জমির ধানখেত নষ্ঠ হওয়ার পথে। এবিষয়ে ধানের চারা কেটে নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মাসুদ আহম্মেদের কাছে পরামর্শের জন্য গেলে তিনি সন্তষ্ট মুলক পরামর্শ দেননি বলে অভিযোগ তুলেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মাসুদ বলেন এবারের আমন মৌসুমে সোনাতলা উপজেলায় কৃষকরা অনেকেই জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের আবাদ করেছে। এর মধ্যে অনেকে নতুন বিনা-১৭ জাতের ধান ফলন ভালো হওয়ায় এবং কিছুটা তাড়াতাড়ি ফলন পাওয়ায় এখানকার কৃষকেরা এই ধানের আবাদ করতে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। মূলত বীনা-১৭ জাতের ধান সব মৌসুমের জন্য উপযুক্ত সময়।
এমনকি তিন মৌসুমেই এই জাতের ধানের চাষ করা যায়। নতুন ধানের আবাদ করতে গেলে কৃষি অফিসের পরামর্শ করে আবাদ করলে অনেক লাভবান হবে কৃষক। ক্ষতি হওয়ার পর আসলে এ ক্ষেত্রে আমাদের করার কিছু নেই। সব বুঝে এ ধানের আবাদ করলে কৃষকের ক্ষতি হবে না বরং লাভবান হবে।
এবিষয়ে সোনাতলা বাজার বীজ ডিলার মালিক আব্দুর রশিদ বলেন আমি বিএডিসির সরকারী প্রনোদনার ধানের বীজ কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করি। এবং আমার বিএডিসির বীজ ডিলারের লাইসেন্স আছে লাইসেন্স নং ৩০১, ভালো ফলনের আশায় কৃষককে এ বীজ দিয়েছি স্বল্প সময়ে এ ফসল ঘরে উঠবে। কেন যে এটা হলো তা বিএডিসির লোকেই ভালো জানে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023