শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বগুড়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর প্রায় দেড় মাস ধরে আটক রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামী স্থানীয় ইউপি সদস্য ফজলুল হক ওরফে বাবুকে(৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে সদর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা। তবে এই ঘটনার প্রধান আসামী মাসুদ রানাকে(৩৫) এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এর আগে গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এজাহারভুক্ত দুই আসামী উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪০) ও রিপন হোসেনের স্ত্রী সাথী খাতুনকে (৩৬) গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের এক কৃষকের মেয়ে গোপালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। ওই স্কুলছাত্রীকে একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা (৩৫) গোপালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফজলুল হক বাবুর সহযোগীতায় ১৬ জুলাই গ্রামের রাস্তা থেকে অপহরণ করেন। স্কুলছাত্রী ওই দিন সকালে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী কুনকইনা গ্রামে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়েছিল। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে ১২ আগস্ট ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মাসুদ ও ফজলুল হকসহ সাত জনকে আসামি করা হয়। গত ২৪ আগস্ট ওই স্কুলছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা বাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করেছ তার স্বজনরা। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মেলে। মামলার বাদী ওই স্কুলছাত্রীর মা জানান, আসামিদের গ্রেপ্তার ও বাদীকে সহযোগিতা করতে কোনো ভূমিকা রাখেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আহসানুল হক। মেয়েকে উদ্ধারের পর থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মামলা তুলে নিয়ে মীমাংসা করতে চাপ দেন। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তার কাছ থেকে জোর করে সাদা কাগজেও স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। পুলিশের সহযোগিতা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়েছেন তিনি। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) আহসানুল হককে থানা থেকে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা সাংবাদিকদের বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল মান্নান ও সাথী খাতুনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর শনিবার সকালে মামলার আরেক অন্যতম আসামী ফজলুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023