শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

শেরপুরে সড়কের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

বগুড়ার শেরপুরে  সড়কের পাশে লাগানো বেশ কয়েকটি মূল্যবান সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। তার নাম মো. রঞ্জু খা। তিনি উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য (মেম্বার)।

 

স্থানীয়রা জানায়,, মো. রঞ্জু খার নেতৃত্বে শুক্রবার থেকে সুঘাট ইউনিয়নের জয়লা-বেলগাছী আঞ্চলিক সড়কের বেলগাছী তিনমাথা কবরস্থান এলাকায় গাছ কাটা শুরু হয়। শনিবার সকালেও একই দৃশ্য দেখা যায়। তাদের অভিযোগ, বেশ কয়েকবছর আগে ওই সড়কটির পাশে সরকারিভাবে শতাধিক ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ লাগানো হয়। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সড়কটির সৌন্দর্য বর্ধনেও ভূমিকা রাখছে এসব গাছ। কিন্তু কোন প্রকার সরকারি সিদ্ধান্ত ও নিলাম ছাড়াই এসব গাছ কাটছেন রঞ্জু খা। দুইদিনে প্রায় ১৬টি গাছ কাটা হয়েছে। তারা বাধা দিতে গেলে সব মহলকে ম্যানেজ করে এসব গাছ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রঞ্জু খার লোকজন। এ ব্যাপারে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

 

গাছ কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, আ.লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য রঞ্জু খার নির্দেশে এবং তার ডাকে শ্রমিক হিসেবে গাছ কাটছেন তারা। কেটে ফেলা এসব গাছের মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকার ওপরে বলে জানা গেছে।

 

এ প্রসঙ্গে সামাজিক বনবিভাগ শেরপুর রেঞ্জের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম জানান, সড়কটির পাশে লাগানো গাছগুলো তার দফতরের নয়। তবে এসব গাছ সরকারি।  গাছগুলো এভাবে কেউ কাটতে পারেন না বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

 

একই প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা শারমিন জানান,  ইউপি সদস্য যাতে কেটে ফেলা গাছগুলো সরিয়ে ফেলতে না পারে এজন্য  সুঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে গাছগুলো তার হেফাজতে নিতে বলা হয়েছে ।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, গাছগুলো সরকারি না ব্যক্তি মালিকানাধীন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি হলে অবশ্যই দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এদিকে অভিযুক্ত ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য রঞ্জু খার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, গাছগুলো তিনি লাগিয়েছিলেন। তাই এখন কেটে নিচ্ছেন। তিনি বলেন, সড়কের পাশের জমিও আমার। আমার গাছ আমি কাটছি, এতে কার কী-বলার আছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023