আঃ ওয়াহেদ ফকির
গতকাল শুক্রবার দৈনিক মুক্তজমিন পত্রিকার ১ম পৃষ্ঠায় মহাস্থানের এস আই নামের কে এই গণমাধ্যম কর্মী শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এলাকায় যেমন তোলপার সৃষ্টি হয়েছে, এ কারনে অনেকে পত্রিকা না পেয়ে দোকান হতে পত্রিকা ফটোকপি করে পড়তে দেখা যায়। সেই এস আই নামধারী সম্পর্কে নতুন-নতুন তথ্য দিচ্ছে ভুক্তভোগিরা। এই রকম একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে তরই এক সময়ের এক সহযোগী, ঘটনা ২০১৫ সালের পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার বাসিন্দা আব্দুস সালাম, মহাস্থান বাস্ট্যান্ডের একটি আবাসিকে উঠে এর পর কলা ক্রয়ের জন্য বাহিরে গেলে বোডিং হতে ১,৭২,০০০ (এক লক্ষ বাহাত্তর) হাজার টাকা চুরি হয়।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানায় আব্দুস সালাম বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বোডিং মালিকের নেশায় আসক্ত ছেলেকে আটক করে। পরবর্তীতে মহল বিশেষে তদবিরে বোডিং মালিকের ছেলেকে থানা হতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর উক্ত কলা ব্যবসায়ী সালামের নিকট হতে ও বোডিং মালিকের কাছ থেকে উক্ত এস আই নামধারী ও তার এক সহযোগী কয়েক হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় এবং তাকে এস আই নামধারী ব্যক্তি হুমকি দিয়ে মহাস্থান ছাড়া করে। প্রাণ ভয়ে তার চুরি হওয়া টাকা উদ্ধার না করেই সে পালিয়ে যায়। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গনমাধ্যম কর্মীর নিকট দৈনিক মুক্তজমিন পত্রিকার প্রতিবেদকের নাম্বর চায়, তার ভাষায় এস আই নামধারী ব্যক্তি সংবাদ প্রকাশের পর তার মধ্য অজানা আতঙ্ক ভূগছে এবং পুলিশি গ্রেফতারের ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছে।
তার গ্রামের এক ব্যক্তি এস আই নামধারী বিষয়ে জানান, সে ইতি পূর্বে একটি থানার এক দারোগার রাইটার ছিল, পরবর্তীতে মামলার অনেক গোপনীয় তথ্য গনমাধ্যম কর্মীদের নিকট প্রকাশ করায় ওই দারোগাকে বিভাগীয় ভাবে অনেক ঝুট-ঝামেলায় পরতে হয়। এই কারনে থানা হতে তাকে বের করে দেওয়া হয়। ঐ গ্রামবাসীর ধারনা, এর পর হতে সে নিজেই তার নামের পূর্বে এস আই শব্দ ব্যবহার করে ফায়দা হাসিল করেই চলছে। এস আই নামধারী তথা কথিত গনমাধ্যম কর্মীর সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য জানাতে কল করুন ০১৭১৫-৬৫২৮২০। তথ্যদাতার নাম ঠিকানা সম্পূর্ণ রুপে গোপন রাখা হবে। আগামীকাল আরো বিস্তারিত সংবাদ পরতে চোখ রাখুন আমাদের সাথে………