শিরোনাম :
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান

আগামী বছরের মধ্যেই নবায়ন হচ্ছে গঙ্গার পানি বণ্টনের চুক্তি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

মুক্তজমিন ডিজিটাল : গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করতে মার্চে ভারত যাচ্ছে কারিগরি দল। পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, আগামী বছরের মধ্যে নবায়ন হবে পানি বণ্টনের চুক্তি, গুরুত্ব দেওয়া হবে দেশের স্বার্থ। তবে নদী বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতের দাবি, এই দলের চুক্তি নিয়ে কথা বলার এখতিয়ার নেই। যৌথ নদী ব্যবস্থাপনায় ঢাকা-দিল্লিকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি। এর মধ্যে শুধু গঙ্গার পানি ভাগাভাগি নিয়ে ঢাকা-দিল্লি চুক্তি হয় ১৯৯৬ সালে। ৩০ বছরের সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬ এর ডিসেম্বরে। আগের শর্তে চুক্তি নবায়নের পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের। কিন্তু অন্তর্র্বতী সরকার চায় পর্যালোচনা।
পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যে আমাদের তো চুক্তি করতেই হবে। সে লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ আমরা সংরক্ষণ করতে পারি সর্বোচ্চ। সেটা বিবেচনা করেই আমরা চুক্তি করতে চাইব। তবে চুক্তিটা আর আমাদের সময়কালীন হবে না, এটা তো মোটামুটি স্পষ্ট।’ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ‘ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর অনেক মতামত এসেছে। ওই চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনেক মতামত এসেছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই টেকনিক্যাল কমিটি প্রাথমিকভাবে বসবে। এই কমিটি বাংলাদেশে কাজ শুরু করেছে। তারা আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহে ভারতে গিয়ে তাদের যে কাউন্টারপার্ট তাদের সাথে কথা বার্তা বলবে।’ নদী বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলছেন, এই কমিটির কেবল গঙ্গার পানি ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের ক্ষমতা রয়েছে। এর বাইরে কোনো এখতিয়ার নেই। আইনুন নিশাত বলেন, ‘এই কাজ কারিগরি কমিটির কাজ নয়। এই কমিটির সদস্য আমি অনেক অনেক বছর ছিলাম। কিন্তু সিদ্ধান্তটা কারিগরি আলোচনার ভিত্তিতে হবে না। তাদের নির্দিষ্ট ম্যান্ডেট আছে। বণ্টনের ব্যাপারে কথা বলার কোনো অধিকার তাদের নেই।’ এই বিশেষজ্ঞ মনে করেন, অভিন্ন নদী রক্ষায় দুই দেশের উচিত যৌথভাবে কাজ করা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023