শিরোনাম :
৮ জেলায় বজ্রপাতে ১৫ জনের মৃত্যু নৈশভোজে হামলাকারীর ‘লক্ষ্যবস্তু’ ছিলেন ট্রাম্প স্ত্রীকে এক নজর দেখতে হুইল চেয়ারে ট্রাইব্রুনালে দিপু মনির স্বামী শাজাহানপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে পুষ্টি সচেতনতার আহ্বান শাজাহানপুরে জলিল বাহিনীর সহযোগী আটক শ্রমিক দিবস সফল করতে বিএসকেএফ বগুড়া মহানগর শাখার লিফলেট বিতরণ শিবগঞ্জে ইজিবাইকের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি

ক্যান্সারের ভ্যাকসিন আনছে রাশিয়া!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

রাশিয়া ক্যান্সারের ভ্যাকসিন তৈরির দ্বারপ্রান্তে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেইসঙ্গে খুব শিগরিরই রোগীরা এই ভ্যাকসিন পেতে পারেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরির কাছাকাছি রয়েছেন এবং এটি শিগগিরই রোগীদের জন্য সহজলভ্য হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

বুধবার তিনি বলেছেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্মের ক্যানসার ভ্যাকসিন এবং ইমিউনোমোডুলেটরি ওষুধ তৈরির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি’।

ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ওপর আয়োজিত মস্কো ফোরামে বক্তৃতা দেওয়ার সময় রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, শিগগিরই এই টিকা কার্যকরভাবে রোগীদের চিকিৎসা থেরাপির পদ্ধতি হিসাবে ব্যবহার করা হবে।’

অবশ্য প্রস্তাবিত ভ্যাকসিনগুলো ঠিক কোন ধরনের ক্যানসারকে লক্ষ্য করে চিকিৎসার কাজ করবে বা কীভাবে সেটি হবে তা নির্দিষ্ট করেননি পুতিন।

রয়টার্স বলছে, রাশিয়া ছাড়াও বিশ্বের অনেক দেশ ও কোম্পানি ক্যানসারের ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। গত বছর যুক্তরাজ্য সরকার ‘ব্যক্তিগত ক্যানসার চিকিৎসা’ প্রদান করতে ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালু করার জন্য জার্মান-ভিত্তিক বায়োএনটেকের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। দেশটি এই কাজে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার রোগীর কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এছাড়া ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি মডার্না এবং মেরর্ক অ্যান্ড কোম্পানিও একটি পরীক্ষামূলক ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরি করছে। এই টিকার কার্যকারিতা সম্পর্কে মধ্য-পর্যায়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মেলানোমায় আক্রান্ত রোগীদের তিন বছরের চিকিৎসার পর ফের এই রোগের পুনরাবৃত্তি বা মৃত্যুর সম্ভাবনা অর্ধেক কমে গেছে। মূলত মেলানোমা হচ্ছে সবচেয়ে মারাত্মক ত্বকের ক্যানসার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি)-এর বিরুদ্ধে বর্তমানে ছয়টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ভ্যাকসিন আছে। এইচপিভি জরায়ুমুখের ক্যানসারসহ অনেক ধরনের ক্যানসার সৃষ্টি করে। সেইসঙ্গে হেপাটাইটিস বি (এইচবিভি) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনও আছে, যা লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023