শিরোনাম :
জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব

জাতিসংঘ মহাসচিবের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে ইসরায়েল

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩

ইসরায়েলের ভূখণ্ডে হামাসের হামলা অকারণে ও অযথা হয়নি। দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় গাজাবাসীকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখার কারণেই তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে—মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এমন মন্তব্য করেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

জাতিসংঘ প্রধানের এমন মন্তব্য করার পর এ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে ইসরায়েল। তাৎক্ষণিক মহাসচিবের পদত্যাগ দাবিও জানিয়েছে তারা।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের দূত গিলাড ইরদান মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে গুতেরেসের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে লিখেছেন, আমি তাকে এ মুহূর্তে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। ইসরায়েলের জনগণ ও ইহুদিদের বিরুদ্ধে চালানো সবচেয়ে জগণ্য অপরাধের প্রতি যারা সহানুভূতি দেখায় তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো কারণ ও যৌক্তিকতা নেই।

গুতেরেস এমন মন্তব্য করার পর তার সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে বসবেন না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, আমি জাতিসংঘের মহাসচিক আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করব না। ৭ অক্টোবরের গণহত্যার পর সমানুপাতিকের কোনো স্থান নেই। হামাসকে অবশ্যই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হতে হবে।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ নিয়ে কথা নিরাপত্তা পরিষদে গুতেরেস তার বক্তব্যে বলেন, এটি স্বীকার করে নিতে হবে ইসরায়েলে হামাসের হামলা এমনিতেই হয়নি। ফিলিস্তিনের মানুষ ৫৬ বছর ধরে শ্বাসরুদ্ধকর দখলদারিত্বের মধ্যে রয়েছে।

তারা দেখেছে তাদের তাদের ভূখণ্ড স্থিরভাবে গ্রাস করা হয়েছে, তারা সহিংসতায় জর্জরিত হয়েছে, তাদের অর্থনীতির গলা টিপে রাখা হয়েছে, তাদের বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে এবং বাড়ি-ঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই সমস্যার রাজনৈতিক সমস্যার যে আশা তাদের ছিল সেটি হারিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023