আজ ২৪ ডিসেম্বর শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টায় আখেরী মোনাজাত শুরু হয়ে ৩০ মিনিট এই মোনাজাত শেষে এবারের ৩ দিনব্যাপী জেলা ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ৷
এর আগে গত বুধবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বগুড়া ইজতেমার প্রথম পর্ব। যেখানে বিশ্বের ৬টি দেশ ও বগুড়া জেলার ১২টি থানার ধর্মপ্রাণ মুসলিরা
ইজতেমা মাঠে ইবাদত পালনের জন্য আসেন। দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজে সাত সাহেবের অনুসারীদের আয়োজনে বগুড়া সদরের ঝোপগাড়িতে এলাকায় এ ইজতেমা শুরু হয়েছিল।
শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) ২০২২ দুপুরে ইজতেমা মারকাযে জামে মসজিদের গিয়ে সরেজমিন দেখা যায়,ইজতেমার দু’টি খিত্তায় হাজারো মুসল্লি জামাতবদ্ধ হয়ে থাকেন এবং আশেপাশে রাস্তার দুই ধারে নারী- পুরুষ এই শেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
একজন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জানান, বগুড়ার ইজতেমাস্থল মুসল্লিদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল। প্রথম দিন বুধবার আনুষ্ঠানিক আম বয়ানের মাধ্যমে তাবলিগের বুজুর্গ মুরব্বিরা এর সূচনা করেন । তবে গত বৃহস্পতিবার ইজতেমার যোহরে নামাজের পর থেকেই মুসল্লিদের মাঝে হেদায়েতী বয়ান শুরু হয়েছিল। যা আজ শনিবার দুপুরে শেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল এবারের জেলা ইজতেমা।
বিশাল ময়দানে হাজারো মুসল্লি জমায়েত হয়েছিল। বগুড়া ইজতেমা সূত্র জানিয়েছে, ইজতেমা উপলক্ষে ৬টি দেশের মুসল্লি (মরক্কো, রাশিয়া,
ইংল্যান্ড, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব) এবং বগুড়ার ১২টি থানার মুসল্লিরা জামাতবদ্ধ হয়েছিলেন।
এবারের ইজতেমায় প্রায় লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহন করেছিল বলেও জানা যায় ৷ তিনদিন ব্যাপী শুরু হওয়া এ ইজতেমা আজ শনিবার বিশেষ মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়ে গেল।
বগুড়ার ধনুট থেকে ইজতেমায় জামাতবদ্ধ হয়েছেন মোঃ মুকুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতি বছরেই আমি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করি। এতে ধর্মীয় রীতিনীতি চর্চার পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই আমরা ইজতেমায় অংশ নিই।
এদিকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিরাপত্তা এবং ইজতেমা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ করতে জেলা পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।