বগুড়া সদরের মানিকচক এলাকায় মেঘনা গ্রুপের নির্মাণাধীন রাইস মিল থেকে প্রায় দুই হাজার টন অবৈধ ধানের উদ্ধার করেছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়।
আজ ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সদরের মানিকচক এলাকায় এক অভিযানে এসব উদ্ধার করা হয়।
ধানগুলো নিয়ে এসেছে মেঘনা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান তানভীর ফুড লিমিটেড। তাদের নির্মাণাধীন অটো রাইস মিলে বৃহস্পতিবার থেকে ধান ভর্তি ট্রাক আসা শুরু করে।
এই অভিযান পরিচালনা করে সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ জানায়, মানিকচক এলাকায় মেঘনা গ্রুপের রাইস মিল স্থাপন হচ্ছে। এখনও মিলটি চালু হয়নি। ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে এখানে একাধিক ট্রাকে করে ধান আসছে, এমন একটি খবর আসে। খবর পেয়ে মিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৩৪ ট্রাকে প্রায় ৬৫০ টন এবং মিল ক্যাম্পাসে ১৪শ টন ধান পাওয়া যায়। এসব ধানের কোনো বৈধ কাগজ না থাকায় অবৈধ বলে উল্লেখ করছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর।
এ বিষয়ে তানভীর ফুড লিমিটেডের সিনিয়র ডিজিএম প্রকৌশলী কেতাউর রহমান বলেন, আমাদের রাইস মিলে ধান ভাঙ্গার ট্রায়াল করতে হবে। এ জন্য এই ধানগুলো আনা হয়েছে। এই অটো মিলে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০ টন ধান ভাঙ্গার ক্যাপাসিটি হবে।
সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, এখানে আসার পর এই অটো রাইস মিলের কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। যেহেতু রাইস মিল চালু হয়নি, তাই মিল চলার লাইসেন্সও পায়নি তারা। আবার চাল নিয়ে আসার জন্য আমদানিকারকের লাইসেন্স দরকার সেটিও দেখাতে পারেননি। সুতরাং এই ধানগুলোকে আমরা অবৈধ বলব।
মনিরুল ইসলাম জানান, অবৈধ ধান উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হবে। আর রাইস মিল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত লাইসেন্স করে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।