আর্জেন্টিনা ও ক্লাবের হয়ে একাধিক ট্রফি জিতেছেন। ক্যারিয়ারে গড়েছেন একাধিক মাইলস্টোন। এর বাইরে মেসিকে কি কিছুই দেয়নি? অবশ্যই দিয়েছে। পৃথিবীজুড়ে কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন মেসি। এই যেমন বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসির প্রথম শিক্ষক মনিকা দমিনা তার ছাত্রের জন্য ভালোবাসার বার্তা পাঠালেন। খোলা চিঠিতে লিখলেন, মৃত্যুর আগে একবার হলেও মেসিকে জড়িয়ে ধরতে চান তিনি। লিওনেল মেসি ছোটবেলায় তার হাত ধরেই প্রথম লেখা শিখেছিলেন। শান্ত ছেলেটা পরবর্তীকালে পৃথিবীর সেরা ফুটবলার হবে তখন কে আন্দাজ করতে পেরেছিল? বেশি দূর পড়াশোনা না করলেও ছাত্র হিসেবে খারাপ ছিলেন না মেসি। বুদ্ধিদীপ্ত এবং অঙ্কে ভাল ছিলেন ছোটবেলায়। সেই স্মৃতি রোমন্থন করেছেন মেসির জীবনের প্রথম স্কুল শিক্ষিকা। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের উদ্দেশ্য মনিকা দমিনা লিখেছেন, হ্যালো লিও, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, তোমার শিক্ষিকা হতে পেরেছি। আমার ছাত্র হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। সব সময় একই রকম থাকার জন্য ধন্যবাদ। তুমি খুব সাধারণ, বিনয়ী, দুর্দান্ত একজন মানুষ। কখনও বদলাবে না। তোমার জীবনের অংশ হতে পেরে যে গৌরব অনুভব করছি, সেই উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। এমন কিছু চাওয়ার জন্য দুঃখিত। অনেক বিপর্যয়ের মধ্যেও আমাদের এতটুকু সুখ দেওয়ার জন্য মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, তোমার হাসিমুখটা দেখাই আমার সুখ। তুমি তোমার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারছ, এটা আমার ভালো লাগে। আমি তোমার শিক্ষক, এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো। তোমার ছোটবেলার শিক্ষিকা হওয়ার সুবাদে তোমাকে একবার জড়িয়ে ধরতে চাই। বিশ্বকাপ ফাইনাল ও ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইল। ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন রোজারিওতে জন্ম নেন ফুটবল নক্ষত্র লিওনেল মেসি। খুব অল্প বয়সেই জন্মস্থান ছাড়লেও চতুর্থ গ্রেড পর্যন্ত সেখানেই পড়াশোনা করেছিলেন আর্জেন্টিনার বর্তমান অধিনায়ক। এহেন মনিকা তখন মেসির শিক্ষিকা ছিলেন। তার হাত ধরেই লিখতে ও পড়তে শিখেছেন মেসি। মেসির সেই ছোটবেলার দিদিমণি এখন অসুস্থ। তিনি মেসির সঙ্গে দেখা করতে চান, একবার হলেও মেসিকে জড়িয়ে ধরতে চান। জানা নেই মনিকার এই আবেদন মেসির কান পর্যন্ত পৌঁছবে কিনা। পৌছলে মেসি বিশ্বকাপ জয়ের পর যদি দেশে ফেরেন তাহলে হয়তো দেখাও করতে যাবেন এই শিক্ষিকার সঙ্গে।