শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

অর্ডার দেওয়ার ৩০ বছর পর মিলবে যে খাবার!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২

মাংস বা সবজি দিয়ে বানানো রোল অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু সেই রোল অর্ডার করার পর যদি বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়- তা শুনে যেকেউ তাজ্জব বনে যাবেন। অবাক করার মতো হলেও এমন ঘটনা রয়েছে জাপানে।

রিপোর্ট, জাপানের এক ধরনের গরুর মাংসের রোলের এতই চাহিদা যে তা আজ যদি অর্ডার করেন ডেলিভারি পেতে অপেক্ষা করতে হবে ৩০ বছর। এ বছর যারা ডেলিভারি পাচ্ছেন তারা অর্ডার করেছিলেন ১০ বছর আগে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের ১৪ নভেম্বরের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

খবরে বলা হয়, জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে হিয়োগো দ্বীপের তাকাসাগো শহরে ১৯২৬ সালে আসাহিয়া নামে একটি গরুর মাংসের দোকান খোলা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই দোকানের মালিকপক্ষই“কোবে বিফ রোল নামে গরুর মাংসের একটি রোল বানানো শুরু করে। মজাদার এই রোলে গরুর মাংসের সঙ্গে থাকে কড়া ভাজা আলু।

২০০০ সালের পরে ইন্টারনেট জগতে এই রোল হয়ে ওঠে রোল মডেল। বাড়তে থাকে ক্রেতার লাইন। সেই সময় এই দোকানের খাবার নিয়ে দেশটির সংবাদ মাধ্যমে প্রচুর খবর প্রকাশিত হয়। তখন থেকেই জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে।

জানা যায়, বর্তমানে আসাহিয়ার ব্যবসা পরিচালনা করছেন তৃতীয় প্রজন্মের মালিক ৫৮ বছর বয়সী শিগেরু নিত্তা। কিশোর বয়সে বাবার সঙ্গে গরুর মাংস কিনতে স্থানীয় খামারে যেতেন তিনি। এরপর ১৯৯৪ সালে ৩০ বছর বয়সে এই দোকানের দায়িত্ব নেন।

শিগেরু নিত্তা বলেন, ১৯৯৯ সালে প্রথম আমাদের পণ্যগুলো অনলাইনে বিক্রি শুরু হয়। সে বছরই পরীক্ষামূলকভাবে কড়া ভাজা রোল বিক্রি করি। শুরুতে আমরা কম দামে সুস্বাদু খাবার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিই। একেকটি কড়া ভাজা রোল ২৭০ ইয়েনে (১ ডলার ৮০ সেন্ট) বিক্রি করি। যদিও শুধু এক টুকরো মাংসের দাম পড়তো ৪০০ ইয়েন (২ ডলার ৭০ সেন্ট)।

এই দোকানি বলেন, প্রথম দিকে লোকসান কমাতে সপ্তাহে ২০০ ‘রোল’ তৈরি করা হতো। এখন প্রতিদিন ২০০ ‘রোল’ তৈরি করা হয়। ২০০০ সালে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর এই খাবারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়।

নিত্তা বলেন, ২০১৬ সালে আমরা রোল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তখন অপেক্ষমাণ তালিকা ১৪ বছরে গিয়ে ঠেকেছিল। আমরা অর্ডার নেওয়াও বন্ধ করে দেবো ভেবেছিলাম। কিন্তু, ফোনের পর ফোন আসতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালে রোলের দাম বাড়িয়ে আবার অর্ডার নেওয়া শুরু করি।

মালিকপক্ষ জানায়, অলাভজনক এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিতে ৪ ধরনের ‘কোবে বিফ রোল’ তৈরি করা হয়। ‘আসাহিয়া’র এই রোলের জন্য বর্তমানে অপেক্ষা করতে হয় ৪ বছর।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরে যারা রোলটি সংগ্রহ করছেন তারা ১০ বছর আগে অর্ডার দিয়েছিলেন। আর এই মুহূর্তে যারা অর্ডার করছেন তাদের অপেক্ষা করতে হবে আরও ৩০ বছর।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023