শিরোনাম :
শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ : গ্রেফতার ২ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস: শাজাহানপুর ইউএনও’র ঈদের শুভেচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অন্যতম পারমাণবিক হুমকি পাকিস্তানও : তুলসি ঈদ উপলক্ষে তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছা বার্তা ঈদযাত্রায় ভোগান্তির কারণে ৪ ঘণ্টার পথ ১৬ ঘণ্টা আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি ঈদ শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এহতেশামুল হাসানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের উদ্যোগে ইফতার

আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

‘আমরা বিশ্বাস করি, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশুদের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউনিসেফের উদ্যোগে শিশু সুরক্ষায় প্রথম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে এক ভিডিও বার্তায় তিনি একথা বলেন।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক ১৮ বছরের নিচে আর পাঁচ বছরের নীচে শিশুর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারসহ উন্নয়ন সংস্থাগুলো এসব শিশুদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সংক্ষিপ্ত সময়ে শিশুদের অধিকার নিশ্চিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি ধারায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দারিদ্র অন্যতম বাধা। আমাদের সরকার সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কৌশল প্রণয়ন করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সরকার এক কোটিরও বেশি মানুষকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। শিশুরাও এসব কর্মসূচির উপকারভোগী। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছি। ৯৮ শতাংশ স্কুলগামী শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা গেছে। এছাড়া শিশু মৃত্যুহার ও মাতৃমৃত্যুহার কমিয়ে আনা হয়েছে। নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে সারাদেশে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে।’

প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও শিশুদের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তার কন্যা ড. সায়েম ওয়াজেদের কাজকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার ২০১৬ সালে শিশু হেল্প লাইন ১০৯৮ চালু করেছে। এই হেল্প লাইন ১০ লাখেরও বেশি শিশু ও তাদের পরিবারের কথা শুনেছে। থানাগুলো শিশুবান্ধব করার লক্ষ্যে চাইল্ড হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। একসময় শিশু শ্রম বাংলাদেশে অনেক বড় সমস্যা ছিল। আমাদের দেশে শিশুশ্রম উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হয়েছে। রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প এখন শিশুশ্রম মুক্ত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের শিশুদের মান উন্নয়নে সবকিছু করছি, যদিও আরও অনেক কিছু করতে হবে। শিশুদের অধিকতর উন্নয়নে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা যেতে পারে। শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম একটি নিয়মিত কর্মসূচি হিসেবে চালু করা যেতে পারে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। আমাদের সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে একত্রে মিলে শিশু সুরক্ষায় কাজ করতে বদ্ধপরিকর।’

জাতীয় সম্মেলন আয়োজন করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউনিসেফকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023