শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বগুড়ার বহুল আলোচিত শ্বাশুড়ি দেলওয়ারা বেগমের পরিবারের তদন্ত চেয়ে দুদক এনবিআরে অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
  • আপডেট সময় বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

বগুড়া শহরের বহুল আলোচিত শ্বাশুড়ি সরিফ বিড়ি ফ্যাক্টরীর স্বত্ত্বাধিকারী দেলওয়ারা বেগমসহ তার পরিবারের সদস্যদের অর্থের উৎস ও জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের তদন্ত চেয়ে দুদক,এনবিআরে অভিযোগ করেছে শহরের সুলতানগঞ্জপাড়ার হাসান হামিদুর রহমান। গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) তিনি লিখিত অভিযোগ করেন । এছাড়া দুদক রাজশাহী বিভাগীয় অফিস ও বগুড়া সম্বন্বিত আঞ্চলিক কার্যালয়েও অভিযোগ করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তারা হলো, বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া এলাকার মৃত সেখ সরিফ উদ্দিনের স্ত্রী বহুল আলোচিত নারী দেলওয়ারা বেগম, তার চার কন্যা এবং তাদের স্বামী যথাক্রমে কানিজ ফাতেমা পুতুল, স্বামী- ফেরদৌস আলম ওরফে ফটু, নাদিরা সরিফা সুলতানা বিলকিছ, স্বামী- মোঃ আবুল হোসেন খোকন ওরফে ব্যাঙ্গা খোকন, তৌহিদা সরিফা সুলতানা শান্তনা, নিকাহিতা দ্বিতীয় স্বামী- মোফাজ্জল হোসেন রঞ্জু ওরফে ধলা মিয়া, মাহবুবা খানম আমেনা, স্বামী পরিত্যক্ত- সঞ্জিব হোসেন, তাদের শত কোটি টাকার ব্যাংক এফডিআর, ঢাকার মোহাম্মদপুরে জমি এবং বাড়ি, বগুড়া শহরের চারমাথায় সুপার মার্কেট, জলেশ্বরীতলা এলাকায় ফ্ল্যাট, কাটনারাপাড়া এলাকায় ফ্ল্যাট, চারমাথায় সিএনজি পাম্প, বিভিন্ন কোম্পানীর সাথে সম্পৃক্ততা, সরিফ বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিকানা সহ বিভিন্ন ধরনের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। যা থেকে সরকার প্রতিনিয়ত রাজস্ব পাওয়ার কথা। কিন্তু তারা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিলাসবহুল জীবন-যাপনে ব্যস্ত। তাছাড়া সামাজিক নানা অপরাধকর্মে তাদের এবং সন্তানদের সম্পৃক্ততার বহু অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের মূল অংশ পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

দেলওয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– দেলওয়ারা বেগম নিজের নামে,বেনামে এবং মেয়ে,নাতিদের নামে ব্যাংকে কোটি কোটি নগদ টাকা,এফডিআর গচ্ছিত রেখেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক(এসআইবিএল) বগুড়া শাখা,ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক -বগুড়া শাখা,আইএফআইসি ব্যাংক -বগুড়া শাখা,এক্সিম ব্যাংক-বগুড়া ও সারিয়াকান্দি শাখা,জনতা ব্যাংক কাটনার পাড়া,ব্র্যাক ব্যাংক চার মাথা-বগুড়া শাখায় কোটি কোটি নগদ টাকা,এফডিআর গচ্ছিত রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অর্থ রয়েছে। ২ টি পিকআপ ও ১ টি জীপ গাড়ি রয়েছে। যা কখনোই আয়কর ফাইলে উল্লেখ করা হয়নি। বগুড়া শহরের কাটনার পাড়া,জহরুল নগর,চারমাথা এবং শহরতলীর ইসলামপুর হরিগাড়ী,ফাঁপোড়ে প্রায় ৫০/৬০ বিঘা জমি রয়েছে। এসব সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য কয়েক শত কোটি টাকা। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই।
শান্তনার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ-তৌহিদা সরিফা সুলতানা শান্তনার নিকাহিতা দ্বিতীয় স্বামী মোফাজ্জল হোসেন রঞ্জু ওরফে ধলা মিয়ার আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই। ঢাকার একটি বেসরকারি কোম্পানিতে আড়াই হাজার টাকার বেতনের চাকরি করতো। পরবর্তীতে অর্থের লোভে ডির্ভোসি শান্তনাকে বিয়ে করে। শান্তনার নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো,বগুড়া শহরের কাটনারপাড়াস্থ জনতা ব্যাংকে একাধিক এফডিআর রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অর্থ রয়েছে। যা আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই। ঢাকার মোহাম্মাদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৪ নং রোডে ৩ কাঠা জমির ওপর আধা পাকা বাড়ি রয়েছে। বগুড়া শহরের প্রেসপট্টি বাইলেন দক্ষিন কাটনার পাড়ায় ৭ তলা বিশিষ্ট একটি আলীশান বাড়ির অংশীদার। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই। নিজের নামীয় প্রাইভেট কার রয়েছে। যা কখনোই আয়কর ফাইলে উল্লেখ করা হয়নি।
ধলা মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– মোফাজ্জল হোসেন রঞ্জু ওরফে ধলা মিয়া দুঁপচাচিয়া উপজেলার কাথওয়ালী গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিন ব্যাটারির পুত্র। ধলা মিয়ার পিতার আদি বাড়ি শাজাহানপুর উপজেলায় হলেও দ্বিতীয় বিয়ে করে দুঁপচাচিয়া উপজেলার কাথওয়ালী গ্রামে ঘর জামাই থাকে। এতে করে আগের পক্ষের স্ত্রী,সন্তানেরা দিনমজুরি কাজ করে জীবীকা চালায়। পিতার ২ স্ত্রী হওয়ায় আর্থিক অভাব অনটনের কারনে ধলা মিয়াও ছোট বেলা থেকেই মাদ্রাসার এতিম খানায় থেকে পড়াশোনা করে। বিয়ের আগে ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে আড়াই হাজার টাকার বেতনের চাকরি করতো। পরবর্তীতে অর্থের লোভে ডির্ভোসি শান্তনাকে বিয়ে করে। অভিযোগে বলা হয়, সে জামায়াত শিবির ও জঙ্গিদের আর্থিক যোগানদাতা। তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর ও শাজাহানপুর থানায় একাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। সন্ত্রাসী ঘটনায় দীর্ঘ দিন হাজতবাসও করেছে। জনশ্রুতি রয়েছে,মোফাজ্জল হোসেন রঞ্জু ওরফে ধলা মিয়ার বৈধ আয়ের কোনো উৎস না থাকলেও অবৈধ পন্থায় জামায়াত শিবির,জঙ্গিদের নামে দেশের সম্পদশালীদের নিকট অর্থ আদায় করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। ধলা মিয়ার নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো, বগুড়া শহরের প্রেসপট্টি বাইলেন দক্ষিন কাটনার পাড়ায় অবৈধ উৎস থেকে কালো টাকা বিনিয়োগ করে ৭ তলা বিশিষ্ট একটি আলীশান বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করার পাশাপাশি ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করছে। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই। ধলা মিয়া নিজের নামে,বেনামে এবং বিশ্বস্থ লোকজনের নামে ব্যাংকে কোটি কোটি নগদ টাকা,এফডিআর গচ্ছিত রেখেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক(এসআইবিএল) দুঁপচাচিয়া শাখা,ঢাকা ব্যাংক-বগুড়া শাখা,ইসলামী ব্যাংক-বগুড়া শাখা,এক্সিম ব্যাংক-বগুড়া ও সারিয়াকান্দি শাখায় কোটি কোটি নগদ টাকা,এফডিআর গচ্ছিত রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অর্থ রয়েছে। ঢাকার এলিফ্যান্টরোডস্থ সুবাস্তু টাওয়ারে দোকান রয়েছে। এছাড়া দুঁপচাচিয়া উপজেলার কাথওয়ালী এলাকায় মোফাজ্জল হোসেন রঞ্জু ওরফে ধলা মিয়ার শতাধিক বিঘা ধানী জমি,চাতাল ও গরুর ফার্ম রয়েছে।
পুতুলের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– কানিজ ফাতেমা পুতুল। তার স্বামী ফেরদৌস আলম ওরফে ফটু বিএনপির আর্থিক যোগানদাতা এবং ২০১৪ সালের নাশকতা ঘটনার নেপথ্যে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। পুতুলের নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো, বগুড়া শহরের কাটনারপাড়াস্থ জনতা ব্যাংকে একাধিক এফডিআর রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অর্থ রয়েছে। যা আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোহাম্মাদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৩ নং রোডে ২ কাঠা জমির ওপর আধা পাকা বাড়ি রয়েছে। বগুড়া শহরের চারমাথা এলাকায় এলজিইডি সংলগ্ন ৪তলা বিশিষ্ট একটি মার্কেট রয়েছে। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই। নিজের নামীয় শতাধিক ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। যা কখনোই আয়কর ফাইলে উল্লেখ করা হয়নি।
ফটুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– ফেরদৌস আলম ওরফে ফটু। ফটু শিশুকালেই পিতা মাতা হারিয়ে আত্মীয় স্বজনের আর্থিক সহযোগিতায় বেড়ে ওঠে। পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ আর বর্তমান সম্পদের হিসাব আকাশ পাতাল পার্থক্য। সে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং ২০১৪ সালের বিভিন্ন নাশকতা ঘটনার নেপথ্যের কারিগর। সে বিএনপির আর্থিক যোগানদাতা। তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর ও শাজাহানপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে,ফেরদৌস আলম ওরফে ফটুর বৈধ আয়ের কোনো উৎস না থাকলেও অবৈধ পন্থায় সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। ফটুর নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো, বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় ট্রপিক্যাল ইলিয়াস প্রাঙ্গনে বিলাসবহল ফ্লাটে বসবাস করে। যার অভ্যন্তরীন ডেকোরেশনের খরচই প্রায় ২ থেকে আড়াই কোটি টাকা। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই। নামে বেনামে একাধিক প্রাইভেট কার,জীপ রয়েছে। যা আয়কর ফাইলের সাথে সঙ্গতি নাই। ফটু নিজের নামে,বেনামে এবং বিশ্বস্থ লোকজনের নামে ব্যাংকে কোটি কোটি নগদ টাকা,এফডিআর গচ্ছিত রেখেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে তল্লাশি চালানো হলে সকল তথ্য উদঘাটন হবে। ফটুর নামে বগুড়া শহরতলী ইসলামপুর হরিগাড়ী এলাকায় ৭০/৮০ বিঘা জমি ও দোকান ঘর হিসাবে জায়গা ভাড়া দেওয়া রয়েছে। যার মূল্য শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
ব্যাঙ্গা খোকনের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– আবুল হোসেন খোকন ওরফে ব্যাঙ্গা খোকন। ব্যাঙ্গা খোকনের পিতা মৃত দুদু মিয়া ছিলেন পেশায় খলিফা। পথচারীদের চলাচলের রাস্তার পাশে বসে খলিফার কাজ করতো। সে একজন এলাকার চিহ্নিত সুদখোর। ব্যাঙ্গা খোকনের নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো, বগুড়া শহরের এনায়েত আলী খান লেন কাটনার পাড়াস্থ কালো টাকা বিনিয়োগ করে ৬ তলা বিশিষ্ট একটি আলীশান বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করার পাশাপাশি ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় করছে। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই। বছরে একাধিকবার গাড়ি পাল্টায়। যা কখনোই আয়কর ফাইলে উল্লেখ করা হয়নি। আবুল হোসেন খোকন ওরফে ব্যাঙ্গা খোকন নিজের নামে,বেনামে এবং বিশ্বস্থ লোকজনের নামে ব্যাংকে কোটি কোটি নগদ টাকা,এফডিআর গচ্ছিত রেখেছে। ১২ টি ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান রয়েছে। এছাড়া বহুজাতিক একটি বিদেশী কোম্পানির ডিলার। যা আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই। তার ছেলে মেয়ে ও স্ত্রীর নামে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় কোটি কোটি টাকা মূল্যের জমি রয়েছে। যেসব তথ্যাদি আয়কর ফাইলে নেই।
বিলকিছের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– নাদিরা সরিফা সুলতানা বিলকিছ, স্বামী- মো.আবুল হোসেন খোকন ওরফে ব্যাঙ্গা খোকন। বিলকিছের নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো, বগুড়া শহরের কাটনারপাড়াস্থ জনতা ব্যাংকসহ একাধিক ব্যাংকে এফডিআর রয়েছে। যা আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই। ঢাকার মোহাম্মাদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৩ নং রোডে ২ কাঠা জমির ওপর আধা পাকা বাড়ি রয়েছে। বগুড়া শহরের এনায়েত আলী খান লেন কাটনার পাড়াস্থ ৬ তলা বিশিষ্ট একটি বাড়ির অংশীদার। যা আয়কর ফাইলের সঙ্গে কোনো মিল নেই। নিজের নামীয় প্রাইভেট কার রয়েছে। যা কখনোই আয়কর ফাইলে উল্লেখ করা হয়নি।
আমেনার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ– মাহবুবা খানম আমেনা,স্বামী পরিত্যাক্ত সঞ্জিব হোসেন। অবৈধ আয়ে বিত্তবৈভবের মালিক বণে যাওয়ায় ইতিমধ্যে ২ জন স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। আমেনার নামে যেসব সম্পত্তির তদন্ত চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো,বগুড়া শহরের জনতা ব্যাংকে একাধিক এফডিআর রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও অর্থ রয়েছে। যা আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোহাম্মাদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৩ নং রোডে ২ কাঠা জমির ওপর আধা পাকা বাড়ি রয়েছে। বগুড়া শহরের চারমাথায় একটি বহুতল সুপার মার্কেট রয়েছে,যার নাম সরিফ সুপার মার্কেট। এছাড়া বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্লাট ক্রয় করেছে। যা আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023