শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত

জানুয়ারি মাসেও কমল রেমিট্যান্স

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে জানুয়ারিতে প্রণোদনার হার বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করেছে সরকার। এর পরও বছরের প্রথম মাসে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ২৬ কোটি ডলার বা ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

জানুয়ারিতে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা ১৭০ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই মাসে যা ছিল ১৯৬ কোটি ডলার। অবশ্য আগের মাস ডিসেম্বরের চেয়ে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স পাঠানো কিছুটা বেড়েছে। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে রেমিট্যান্স কমেছে ২৯৬ কোটি ডলার বা ১৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রবাসী আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে। একটি চক্র প্রবাসীর কাছ থেকে ডলার কিনে বাংলাদেশি সুবিধাভোগীকে টাকা পরিশোধ কর, হুন্ডি হিসেবে যা বিবেচিত। হুন্ডি প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় রেমিট্যান্স কমছে বলে ধারণা করছে সরকার। যে কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রণোদনার হার ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়।

২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিয়ে আসছিল সরকার। করোনাসহ বিভিন্ন কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে অবশ্য হুন্ডি চাহিদা কমায় প্রবাসী আয়ের বেশিরভাগই এসেছিল ব্যাংকের মাধ্যমে। যে কারণে গত অর্থবছর রেমিট্যান্সে রেকর্ড ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়।

রেমিট্যান্স কমলেও গত নভেম্বর পর্যন্ত আমদানিতে প্রায় ৫৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আর ডিসেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। আমদানিতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। ব্যাংকগুলোর চাহিদা মেটাতে গত ১৯ আগস্ট থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। এর পরও আগস্ট থেকে প্রতি ডলারে ১ টাকা ২০ পয়সা বেড়ে এখন আন্তঃব্যাংকে ৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর গত আগস্টে রিজার্ভের পরিমাণ ৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে আবার ৪৫ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ১৯৪ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল এক হাজার ৪৯১ কোটি ডলার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023