শিরোনাম :
দিল্লির সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উদ্বেগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন দেশে ফিরলেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের বগুড়ায় ধারাবাহিকভাবে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ​শিবগঞ্জে ২৮ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শেরপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শাজাহানপুরে ইন্স্যুরেন্সের টাকা আত্মসাতে শফিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বুড়িগঞ্জের মাদকের আঁতুড়ঘর মাচইল গ্রাম থেকে মাদকসেবী গ্রেফতার শাজাহানপুরে হেরোইনসহ কথিত মাদক কারবারি আটক আপনারা গুলি করলে আমরা কি চুড়ি পরে বসে থাকবো? বগুড়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেনের ইন্তেকাল

নন্দীগ্রামে নৌকা ১, স্বতন্ত্র ৩ জন বিজয়ী

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১

চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৪৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। ৪টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৫০ হাজার ৮৮১ ও মহিলা ৫১ হাজার ১১৪ জন। ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

প্রাথমিত তথ্যে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম কামাল (আনারস) ৫ হাজার ৯৬০ ভোটে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রভাষক আব্দুল বারী বারেক (চশমা) ভোট ৫ হাজার ৮৯৩। ভাটরা ইউনিয়নে পূন:রায় মোরশেদুল বারী (নৌকা) ১০ হাজার ৬০৯ ভোটে বে-সরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহেল বাকী (ঘোড়া) ৮ হাজার ২৩৪ ভোট পেয়েছেন। থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন (আনারস) ৮ হাজার ৯০৭ ভোটে বে-সরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিল্লুর রহমান (অটোরিক্সা) ৭ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়েছেন। ভাটগ্রাম ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ (চশমা) ৮ হাজার ৪৩৮ ভোটে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুলফিকার আলী (নৌকা) ৬ হাজার ২৪০ ভোট পেয়েছেন।

প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ও দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তবে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ারমতো। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে ছিল প্রশাসন। ৪টি ইউনিয়নে বিজিবি, পুলিশের মোবাইল টিম ও র‌্যাব সদস্যরা টহল দিয়েছেন। এছাড়া দায়িত্বরত ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন কঠোর। ভোটগ্রহণ চলাকালে কোথাও কোনো অপপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. জিয়াউল হক ও পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাসুম আলী বেগ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আব্দুর রশিদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিফা নুসরাত, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ, সহকারী পুলিশ সুপার আহমেদ রাজিউর রহমান, থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023