বগুড়ার গাবতলীতে নির্বাচনী সহিংশতায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত রাজু মিয়া সরকার (৪০)’র মৃত্যু হয়েছে। জানাগেছে গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মোনোনিত মোঃ আব্দুল কালাম আজাদ নৌকা প্রতিকনিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন। গত ১৬ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯ টায় নৌকা মার্কার পক্ষে প্রচারনা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন কোলারবাড়ি গ্রামে পিতা মৃত মুজিবুর রমানের ছেলে আমজাদ হোসেন সরকার ও রাজু মিয়া সরকার। পথিমধ্য কোলার বাড়ি সরকারি রাস্তার উপর প্রতিপক্ষ প্রার্থীর ১০/১২ জন লোক দেশিয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে ও হামলা করে। হামলাকারীরা আমজাদ ও রাজু মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলাপাথারী ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। আহতদের চিৎকারে লোকজন ছুটে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আজমাদ ও রাজুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (শজিমেক) ভর্তি করে। ঘটনার রাতেই গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়া লতিফুল ইসলামের নির্দেশে, বাগবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশ হামলার সাথে জড়িত কোলারবাড়ি গ্রামের মৃত মাহফুজার রহমানের ছেলে ফেরদৌস হোসেন (৩২) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ছুরিকাঘাতের ঘটনার পরদিন ১৭ ডিসেম্বর রাতে গাবতলী মডেল থানায় আহত বড় ভাই আমজাদ হোসেন সরকার বাদী হয়েগ্রেফতারকৃত ইউসুফ আলীকে প্রধান করে মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে একটি মামলা করে। ৪ দিন পর ১৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১১ টায় শজিমেকে চিকিৎসাধিন অবস্থায় আহত রাজু মিয়া সরকারের মৃত্যু হয়। ২০ ডিসেম্বর ময়না তদন্ত শেষে লাশ রাজু মিয়ার গ্রামের বাড়ি কোলার বাড়িতে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
এ ব্যাপারে গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়া লতিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার রাতেই মুল হামলাকারী ফেরদৌসকে গ্রেফতার করা হয়, পরদিন আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার সাথে সংযুক্ত ধারার সাথে, হত্যার ধারা যুক্ত হবে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।