বহুল প্রতিক্ষিত পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। ছবিটির জন্য বন্ধ থাকা ২০টি সিনেমা হল নতুন করে চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ছবিটির অন্যতম পরিচালক ফয়সাল আহমেদ। সমকালকে তিনি জানান, করোনার কারণে ছবি মুক্তি না দিতে পারায় বহু সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে। এমন বন্ধ থাকা ২০টির মতো হল ‘মিশন এক্সট্রিম’ প্রদর্শণের জন্য ফের চালু করেছেন হল মালিকরা।
নতুন করে চালু হওয়া ওই ২০টি হলসহ মোট ৫০টি হলে কাল মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’। ইতোমধ্যে ওই ৫০ হলে সিনেমা মুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানান পরিচালক। এর মাধ্যমে করোনাকালীন বিপর্যয় উতরে দেশের সর্বোচ্চসংখ্যক হলে মুক্তির রেকর্ড গড়ছে ছবিটি।
ফয়সাল আহমেদ বলেন, শুক্রবার দেশের ৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘মিশন এক্সট্রিম’। ছবিটি নিয়ে সারা দেশের হল মালিকরা বেশ আগ্রহী। তাদের আগ্রহ দেখে আমরা রীতিমতো অবাক। ৫০ হল ছাড়া আরও অনেক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমরা ৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি নিশ্চিত করেছি। দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পর্যায়ক্রমে বাকি হলগুলোতেও ‘মিশন এক্সট্রিম’চলবে।
বন্ধ হল চালু হওয়ার পাশাপাশি সচল হলগুলোওতেও ছবিটির মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে বলে মনে করছেন মিশন এক্সট্রিম টিম। নির্মাতার ভাষ্য, আমরা সবাই মিলে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে ‘মিশন এক্সট্রিম’ নির্মাণ করেছি। প্রচার প্রচারণাতেও কমতি রাখিনি। বাকিটা দর্শকদের উপর। দর্শকরা যদি মিশন এক্সট্রিম দেখেন তাহলে এই ছবিটির মাধ্যমে যে ছবিগুলো করোনার কারণে মুক্তি আটকে ছিলো সে ছবিগুলোও মুক্তিতে সাহস পাবে।
একযোগে দেশ ও দেশের বাইরে ‘মিশন এক্সট্রিম’র প্রথম পর্ব মুক্তি পাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির ট্রেলার। ছবিটি ফয়সাল আহমেদ ও সানী সানোয়ারের যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন । এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন ‘মাসলম্যান’খ্যাত অভিনেতা আরেফিন শুভ। এছাড়াও অভিনয় করেছেন ‘ঢাকা অ্যাটাক’খ্যাত তাসকিন রহমান, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্ত।
কপ ক্রিয়েশনের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন- রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাজনুন মিজান, ইরেশ যাকের, মনোজ প্রামাণিক, আরেফ সৈয়দ, সুদীপ বিশ্বাস দীপ, রাশেদ মামুন অপু, এহসানুল রহমান, দীপু ইমামসহ অনেকে।
সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘সিটিটিসি’র কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত। গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পুলিশ সুপার সানী সানোয়ার নিজেই। সিনেমাটির সহযোগী প্রযোজক হিসেবে রয়েছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাব।