শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় আলুর কেজি ৪০০ টাকা!

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১

বগুড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নবান্ন উৎসব উপলক্ষে শহরের ফতেহআলী ও রাজাবাজারে অন্যান্য নতুন শাক-সবজির পাশাপাশি পাকরি আলু উঠেছিল। তবে দাম ছিল আকাশছোঁয়া। প্রতি কেজি নতুন আলু বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে। বাধ্য হয়ে প্রথা পালনে অনেকেই এ আলু কিনেছেন।

বগুড়া শহরের রাজাবাজার আড়ৎদার ও সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ জানান, প্রতি বছর অগ্রহায়ণের প্রথম দিনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নবান্ন উৎসব পালন করে থাকেন। এদিন পরিবারের মুরব্বি বা বউ-ঝিরা দিনভর উপোস করেন। নতুন আলু, কপি, শিমসহ বিভিন্ন শাক-সবজি দিয়ে তরকারি রান্না করা হয়। একটি বড় প্লেটে এসব খাবার সাজানো হয়। এরপর প্রথমে পূর্বপুরুষদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তাদের উদ্দেশ্যে ওই খাবার উৎসর্গ করা হয়। শেষে উপবাসে থাকা নারী বা পুরুষরা খাবার খেয়ে উপবাস ভঙ্গ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রতি বছর নবান্নের দিনে বাজারে নতুন আলু উঠে এবং উচ্চদরে বিক্রি হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার শহরের দুটি বড় বাজারে তিন থেকে চার মণ নতুন পাকরি আলু বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। প্রতি কেজি আলু ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ আলু কিনতে অনেকে বাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। প্রথা পালনে অনেকে উচ্চদামে আলু কিনেছেন। তবে বাজারে পুরাতন আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। বাজারে অন্যান্য শাক-সবজির দাম অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে।

ফতেহ আলী বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী শামসুল হক ও রাজাবাজারের বিনয় রাজ জানান, নবান্নের দিন আলুর দাম বেশি হয়। এ দিনের উৎসবকে সামনে রেখে কৃষকরা অধিক লাভের আশায় সামান্য কিছু আলু চাষ করেন। আমরা বেশি দামে কিনি বলেই বেশি দামি বিক্রি করে থাকি। এতে আমাদেরও বাড়তি আয় হয়।

রাজাবাজারে আলু কিনতে আসা বিনীতা রায় জানান, তিনি ২০০ টাকায় আধা কেজি আলু কিনেছেন। উৎসব পালনের জন্য বেশি দামে আলু কিনতে কষ্ট হয়নি।

শহরের চেলোপাড়ার সুকুমার ও চন্দন জানান, এক পিস আলুর দাম ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে নবান্ন অনেক বড় উৎসব; তাই তারা বেশি দামে আলু কিনেছেন।

শহরের মালতিনগরের কল্যাণ দাস বলেন, নবান্নের দিনে সব শাক-সবজির দাম বেশি হয়ে থাকে। তাই বলে কখনও এক কেজি আলু ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়নি। এবার কৃষকরা অধিক মুনাফা করছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023