শিরোনাম :
দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার

সাংবাদিক কাজলের তিন মামলার বিচার শুরু

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পৃথক তিন মামলায় ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। ফলে এসব মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

সোমবার (৮ নভেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন তার বিরুদ্ধে আভিযোগ গঠন করেন। এসময় সাংবাদিক কাজল নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

এর আগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানায় দায়ের করা মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য গত ২১ অক্টোবর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে দিন ধার্য ছিল। এদিন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইকবাল হোসেন অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

গত বছরের ১১ মার্চ রাজধানীর চকবাজারের বাসা থেকে বের হয়ে ‘নিখোঁজ’ হন শফিকুল ইসলাম কাজল। ঢাকা থেকে নিখোঁজের ৫৩ দিন পর ২ মে রাতে যশোরের বেনাপোলে সীমান্তের সাদিপুর মাঠ থেকে শফিকুল ইসলাম কাজলকে আটক করে বিজিবি।

পরদিন ৩ মে অনুপ্রবেশের দায়ে বিজিবির করা মামলায় আদালতে সাংবাদিক কাজলের জামিন মঞ্জুর হলেও পরে কোতোয়ালী মডেল থানায় ৫৪ ধারায় অপর একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সেই থেকে কারাগারে ছিলেন কাজল।

এর আগে কাজলসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ১০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর। একই আইনে কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানায় যুব মহিলা লীগের দুই নেত্রী আরও দুটি মামলা করেন। পৃথক মামলায় গত ৩ মে থেকে কারাগারেই ছিলেন সাংবাদিক কাজল।

তিন মামলায় জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন তিনি। যার পরিপ্রেক্ষিতে শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় গত ১৯ অক্টোবর হাইকোর্ট কাজলের জামিন প্রশ্নে রুল দেন। রুলের শুনানি শেষে তিনি ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।

এদিকে কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানার মামলায় এর আগে ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট কাজলের জামিন প্রশ্নে রুল দিয়েছিলেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে ২৫ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এ তিন মামলাই কাজলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023