শিরোনাম :
অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ : গ্রেফতার ২ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস: শাজাহানপুর ইউএনও’র ঈদের শুভেচ্ছা

শূন্য পদে নিয়োগের বিলম্ব এড়াতে নতুন নির্দেশনা

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অহেতুক বিলম্ব ও সময়ক্ষেপণ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীনস্থ দপ্তর, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, কর্পোরেশনসমূহে বিদ্যমান রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণের বিধান ছিল।

পরিপত্র থেকে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিপত্রে রাজস্ব খাতের শূন্য পদ পূরণে শর্ত সাপেক্ষে ছাড়পত্র প্রদানের দায়িত্ব স্ব স্ব প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরিপত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়, সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের ১০ শতাংশ পদ সংরক্ষণ করতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ২৮ মে’র পরিপত্র অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছয় মাসের মধ্যে সংরক্ষিত শূন্য পদে উদ্বৃত্ত কর্মচারীকে আস্তীকরণের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান না করে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথা সময়ে উক্ত পদে জনবল নিয়োগ করতে পারবে। তবে সংরক্ষিত শূন্য পদ পূরণের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে।

কিন্তু এই ছাড়পত্রের কারণে শূন্য পদ পূরণে অহেতুক বিলম্ব ঘটে ও সময়ক্ষেপণে বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয় বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়, প্রশাসনিক জটিলতা এড়ানোর জন্য এবং প্রশাসনকে গতিশীল করতে রাজস্ব খাতভুক্ত সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ পূরণে ছাড়পত্র আদেশ সংগ্রহের পর যেসব প্রক্রিয়া অনুরসন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে শূন্য পদ পূরণ করতে হবে:

ক. সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের মাধ্যমে পূরণীয় পদসমূহের ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হবে। তবে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় যদি কোন কারণে সুবিধাজনক সময়সীমার মধ্যে সুপারিশ পাঠাতে অসমর্থ হয়, তবে সুপারিশ পাঠানোর পর থেকে এক বছরের মধ্যে পদসমূহ পূরণ করতে হবে।

খ. মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীনস্থ দপ্তর/পরিদপ্তর/অধিদপ্তর/বিভাগ/জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং কর্পোরেশন কর্তৃক সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর।

গ. ছাড়পত্রের বৈধতার মেয়াদের মধ্যে নিয়োগ প্রদানের সব প্রকার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করতে হবে।

ঘ. নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শূন্য পদ পূরণে অসমর্থ হলে নতুন করে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের সুপারিশ পুনরায় গ্রহণের প্রয়োজন হবে না।

ঙ. মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীন দপ্তর/অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/সংস্থা/স্বায়ত্তশাসিত/আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং কর্পোরেশনের রাজস্ব খাতের সরাসরি নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র প্রদানের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পদ পূরণে অসমর্থ হলে, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করার জন্য ছাড়পত্র প্রদানকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/বিভাগ ছাড়পত্রের মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারবে।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023