সম্প্রতি বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ও হামলার চেষ্টার প্রতিবাদে সারাদেশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের গণঅনশন কর্মসূচি চলছে। শনিবার (২৩ অক্টোবর) ভোর ছয়টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি বেলা ১২টা পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ জানান, আমাদের এ কর্মসূচিতে ঢাকার শাহবাগ চত্বরে এবং চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা চত্বরে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে। আমাদের সংগঠন ছাড়াও অন্য সংগঠন ও ধর্মের মানুষরাও এই সমাবেশে অংশ নিয়েছেন।
এ ছাড়াও শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। গতকাল রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা মনে করিয়ে দেন সর্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা।
তারা জানান, শ্যামা পূজায় দীপাবলি উৎসব বর্জন করবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। একই সাথে শ্যামাপূজায় সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১৫ মিনিট কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে দর্শনার্থী ও ভক্তরা স্ব স্ব মন্দিরে নীরবতা পালন করবে।
মণ্ডপের পাশে কালো কাপড়ে ‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াও’ শ্লোগান টানানোর কর্মসূচিও পালন করবে হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, বাড়িঘর ও স্থাপনায় যেসব হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিবাদে সরকার যে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে, সেটার দ্রুত বাস্তবায়ন ও সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত প্রতিরোধে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
যে ব্যক্তি মন্দিরে কোরআন রেখেছিলেন বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের পুলিশ। এছাড়াও এসব ঘটনায় দেশে অন্তত ৭১টি মামলা হয়েছে এবং ৪৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।