শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

খোঁজ মিলছে না কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটির বাবা-মায়ের

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
  • আপডেট সময় শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১

নয়দিন পার হলেও বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে কুড়িয়ে পাওয়া একটি শিশুর এখনো অভিভাবক পাওয়া যায়নি। পাঁচ মাস বয়সী ছেলে শিশুটিকে ট্রেনে কাটা লাশ বহনকারী এরশাদ আলী ও তার স্ত্রী সখিনা বিবির দায়িত্বে রাখা হয়েছে। তারা বলছেন, প্রকৃত বাবা-মায়ের খোঁজ হলে তাদের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্রাবণী রায় শিশুটিকে নজরদারিতে রাখতে সান্তাহার পৌর মেয়রকে নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আটগ্রামের লছির প্রামানিকে ছেলে এরশাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সান্তাহার মালগুদাম এলাকায় বসবাস করেন। সেখানে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী সখিনাকে নিয়ে রেলওয়ের জায়গায় একটি কুঁড়েঘরে থাকেন। ভাঙারি ব্যবসার পাশাপাশি এ অঞ্চলে ট্রেনে কাটা যত লাশ তিনিই বহন করেন। এ কারণে তার বেশিরভাগ সময় কাটে সান্তাহার জংশন স্টেশনে। এরশাদ আলী বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে মানসিক ভারসম্যহীন এক নারী শিশুটিকে কোলে নিয়ে ঘুরছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে প্ল্যাটফর্মের উত্তরপাশের বৃষ্টি নামের এক কিশোরীর কোলে দেখতে পাই। তখন কিশোরীর কাছে জানতে চাই, ‘শিশুটি তো অন্য এক নারীর কোলে দেখলাম, এখন তোমার কোলে কেন?’ উত্তরে সে বলল, আমার কোলে দিয়ে ওই মহিলা ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে গেছেন। বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর ওই নারীকে বের করে হতে দেখে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি শিশুটিকে অস্বীকার করেন। পরে তিনি বিষয়টি সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশকে জানান। সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম বলেন, শিশুটিকে পাওয়ার পর থেকে এরশাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে নজরদারি করা হচ্ছে। এদিকে শিশুটি চুরি করা হয়েছে, এমন সন্দেহে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি ইউএনওকে জানান। পরে এরশাদ আলী ও তার স্ত্রী সখিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউএনও কার্যালয়ে ডাকা হয়। বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে এরশাদ দম্পতি শিশুটিকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। এরশাদের দাবি, ২২ বছর সংসার জীবনে তাদের কোনো সন্তান নেই। প্রকৃত বাবা-মাকে না পাওয়া গেলে তারা শিশুটিকে লালন-পালন করতে চায়। এরই মধ্যে শিশুটির নামও রেখেছেন তারা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্রাবণী রায় বলেন, মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শিশুটিকে এভাবে ফেলে রেখে যাওয়াটা সন্দেহজনক। পরিবারের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত শিশুটি আপাতত ওই দম্পতির হেফাজতে থাকবে। বিষয়টি তদারকির জন্য সান্তাহার পৌর মেয়রকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023