শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বগুড়ায় মাইক্রোবাস চালক খুনের নেপথ্যে তুচ্ছ ঘটনা

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
  • আপডেট সময় সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১

বগুড়ায় প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর মাইক্রোবাস চালক খাইরুল ইসলামকে (২৭) তুচ্ছ ঘটনায় হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় এক ফার্নিচার শ্রমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম বাবু। তাকে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও বনানী ফাঁড়ি পুলিশ কাহালু উপজেলার মুরইল থেকে গ্রেফতার করে।

সোমবার দুপুর ১২টায় বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। বাবু গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মো. সামাদের ছেলে। তিনি কানছগাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, গত মাসের ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে খুন হওয়া খাইরুল তার বন্ধুদের নিয়ে কানুছগাড়ী এলাকার ফার্মেসির সামনে নিজের মাইক্রোবাসে চড়ে আড্ডা দিচ্ছিল। আড্ডা দেওয়ার একপর্যায়ে খাইরুল পাশের হাসপাতালের গ্যারেজের ভেতর টয়লেটে যাওয়ার জন্য প্রবেশ করে। ওই সময় অভিযুক্ত বাবু ও তার বন্ধুদের সাথে খাইরুলের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়।

বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে খাইরুল আবারও তার মাইক্রোবাসে চড়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে থাকে। এর প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে রাত ১১টার সময় আসামি বাবু তার সহযোগীদের নিয়ে খাইরুলের উপর হামলা করে। এসময় তার মাইক্রোবাসের গ্লাস ভেঙে তার শরীরে ছুরিকাঘাত শুরু করে। খাইরুল নিজেকে বাঁচাতে দৌড়ে পাশের ফার্মেসিতে গেলে সেখানেও তার হাত ও পায়ে চাকু দিয়ে আঘাত করে অভিযুক্তরা।

পরে নিহত খাইরুলের বন্ধুরা ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেফতার বাবু রবিবার আদালতে হত্যাকাণ্ডের সাথে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

বাবুর সাথে আরও কারা এ ঘটনায় সম্পৃক্ত জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, তদন্ত ও আসামিদের গ্রেফতারের স্বার্থে আমরা তাদের নাম এখন প্রকাশ করছি না। তবে বাবুর বিরুদ্ধে এর আগে কোনো মামলা না থাকলেও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ কয়েকটি মামলা আছে।

এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর হত্যাকাণ্ডের একদিন পরে নিহত খায়রুলের বাবা আব্দুল খালেক বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023