আঃ ওয়াহেদ ফকির
শিল্প নগরী খ্যাত ও ঐতিহাসিক জেলা বগুড়া। সেই কারণে বিভিন্ন ব্যবসার পাশপাশি আবাসিক বোর্ডিং ও ব্যবসা চলছে জম জমাট। শুধু মাত্র বগুড়া শহর ও শহরতলীতে প্রায় শতাধিক আবাসিক বোর্ডিং রয়েছে। কিন্তু এসব আবাসিকে দেহ ব্যবসায় এখন মূল। এর নিয়ন্ত্রণকারী অসাধু পুলিশ ও তথাকথিত মিডিয়া কর্মী। সরেজমিনে ঘুরে যে সমস্ত আবাসিকের নাম পাওয়া গেছে বগুড়া শহরের ফুলতলায় হোটেল সেয়াটার যেখানে চলে মদ, জুয়া ও ডিজে পাটির অশ্লীল নৃত্য গান, এ ছাড়াও মেডিকেল হাসপাতালের রয়েছে, ভিআইপি হোটেল নাজ গার্ডেন সে খানেও একই রকম চিত্র। তিন মাথায় ক্লিনিক সংলগ্ন আবাসিক হোটেল আল-রুবি, রংপুর রোড সংলগ্ন আবাসিক হোটেল অবকাশ নিয়ন্ত্রণ করেন তথাকথিত অসাধু মিডিয়া কর্মী, চার মাথায় সেঞ্চুরী মর্ডেল একই অবস্থা। পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে দেহ ব্যবসা আবাসিক হোটেল চারমাথা,ঝোপগাড়ীতে তথাকথিত মিডিয়াকর্মীর নিয়ন্ত্রনাধীন যমুনা রিসোর্স, ঝোপগাড়ী ট্যাংক এর সাকোর পশ্চিম পাশের্^ এক বিল্ডিং এর মালিক একজন পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ী মাহফুজ নামে ব্যক্তি ভাড়া নিয়ে চালায় দেহ ব্যবসা। রংপুর রোডে জান্নাত পাম্প সংলগ্ন ফোর পয়েন্ট আবাসিক হোটেল, বারপুর ব্রীজ সংলগ্ন সাইন বোর্ড বিহীন বিল্ডিং এ চলে জুয়া, দেহ ব্যবসা, আবাসিক হোটেল গোধুলী, মাটিডালীতে টাইম পাস, ড্রিম প্যালেস, ভিআইপি আবাসিক হোটেল ক্যাসেল সোয়াত, নওদাপাড়ায় ভিআইপি আবাসিক হোটেল, শহরের টি,এন,টির পিছনে টুইন-ব্রাদ্রার্সে জমজমাট দেহ ব্যবসা, আবাসিক হোটেল আমির গেস্ট হাউস, রাজা বাজারে আবাসিক হোটেল রফিকুল, আজমেরী। এ সমস্ত আবাসিক বোর্ডিং দেহ ব্যবসা, মদ, জুয়া চলে দিনে, রাতে।
নাম ধাম বিহীন আবাসিকের নীচে গোডাউন রয়েছে বিভিন্ন বয়সী কলগার্লদের সেখানের রাখা হয়। বিভিন্ন সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে হাতে-নাতে খদ্দেরসহ এদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এছাড়াও ভ্র্যম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে আবাসিকের মালিক-ম্যানাজার, কলর্গাল-খদ্দের জারমানা করলেও থেমে নাই দেহ ব্যবসা।
বিভিন্ন স্থানে জনশ্রুতি রয়েছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করছে অবৈধ দেহ ব্যবসা। চলছে জুয়ার আসর, মাদক ব্যবসা। অবিলম্বে জনস্বাথে যুব সমাজ কে রক্ষা অপরাধ বন্ধে এই সমস্ত স্থানে অভিযান অতি জরুরী বলে জরুরী বলে সচেতন মহল মনে করেন।