শিরোনাম :

ইলিশের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

হেল্থ ডেস্ক
স্বাদ ও গন্ধের জন্য ইলিশ অনন্য। এটি যতটা সুস্বাদু, ততটাই পুষ্টিগুণের ঠাসা। যে ইলিশের যত তেল, সেটি সুস্বাদু। ১০০ গ্রাম ইলিশে পুষ্টিগুণ থাকে ০.৩৫ গ্রাম-০.৭২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১৮.৯৫ গ্রাম-২০.৫৬ গ্রাম প্রোটিন, ৩৩.৫ মাইক্রোগ্রাম-৯৫.৫৪ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-এ, ১১.২০ মাইক্রোগ্রাম-১৪.২৮ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-সি, ১৪৪.২১ মি.গ্রা-৩৭২.৮৭ মিগ্রা ক্যালসিয়াম, ৯.০৪ মিগ্রা -১৩.০৭ মিগ্রা আয়রন, ১১৮.১৭ মিগ্রা-২০৪.০৬ মিগ্রা ফসফরাস, ৩৪.১৮ মিগ্রা-৪৫.০৭ মিগ্রা ম্যাগনেসিয়াম, ৮.৫৪ মিগ্রা ১২.৬৮ মিগ্রা ম্যাঙ্গানিজ, ০.৯৪ মিগ্রা-১.৫৪ মিগ্রা কপার, ০.৯৪ মিগ্রা থেকে ১.৩১ মিগ্রা জিংক পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যগত উপকারিতা : এটি প্রোটিনের ভালো উৎস হওয়ায় হজমে সহায়তা করে। উচ্চমাত্রায় লাইসিন ও সালফারসমৃদ্ধ অ্যামাইনো এসিড, যেমন- মিথিওনিন ও সিস্টিন পাওয়া যায়। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে, মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যকারিতা ঠিক রাখতে, আর্থ্রাইটিসজনিত সমস্যা প্রশমনে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খুব কার্যকর, যা ইলিশে পাওয়া যায়। নিয়মিত এ মাছ খেলে পাকস্থলীর আলসার ও কোলিটিসের ঝুঁকি কমে। ত্বক ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ত্বকের একজিমা হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এতে বিদ্যমান কোলাজেন ত্বকের স্থিতি বজায় রেখে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ইলিশ মাছ। জিংকের ভালো উৎস, যা বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর বিভিন্ন ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। মাছে থাকা বিদ্যমান ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড রক্তের চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তবে ইলিশের পুষ্টিগুণ তখনই কাজে লাগবে, যখন সঠিক উপায়ে রান্না হবে। ইলিশ মাছ ভেজে খেলে ফ্যাট ও ক্যালরি ভ্যালু বেড়ে যায়। পুষ্টিগুণ ঠিক রেখে ইলিশ খেতে চাইলে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নিতে পারেন।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023