শিরোনাম :
অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ : গ্রেফতার ২ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস: শাজাহানপুর ইউএনও’র ঈদের শুভেচ্ছা

বিমানে আসা সাড়ে ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ পাচার হচ্ছিলো পাশের দেশে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

দুবাই থেকে বিমানে করে অবৈধ স্বর্ণেরবার বাংলাদেশে আসার পর সেগুলো বাসে করে পাশের দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় অভিযান চালিয়ে স্বর্ণবারগুলো জব্দ করে বাসের চালকসহ তিনজনকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জব্দ করা স্বর্ণবারের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা।

আটকরা হলেন- গাড়িচালক শাহাদাৎ হোসেন, চালকের সহকারী ইব্রাহিম ও গাড়ির সুপারভাইজার তাইকুল ইসলাম।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মালিবাগ থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া সোহাগ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে থামানোর পর গাড়িটিতে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পরে স্বর্ণবারগুলো চালকের আসনের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায়।

গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, সোহাগ পরিবহনের গাড়ি থেকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা স্বর্ণবারের সংখ্যা ৫৮টি যার ওজন ৬.৭২৮ কেজি। এই স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। এই স্বর্ণ বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে পাশের দেশে পাচার করা হচ্ছিলো।

কাস্টমস গোয়েন্দাদের হাতে উদ্ধার এই স্বর্ণবারের আসল মালিক কে জানতে চাইলে সংস্থাটির মহাপরিচালক বলেন, এই স্বর্ণের মালিক কে তা জানতে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আরও জানতে কাস্টমস আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার প্রক্রিয়া শেষ হলে আটকদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে তখন তারা তদন্ত করে বের করবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মো. আব্দুর রউফ বলেন, স্বর্ণবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে মজুত করা হচ্ছিলো। আমাদের কাছে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মধ্যে আট কোম্পানির স্বর্ণবার রয়েছে। আমাদের দেশে আসা অধিকাংশ স্বর্ণ পাশের দেশে পাচার হয়ে যায়। তাই কাস্টমস গোয়েন্দাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পাচারকারীদের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং অনুমতির প্রয়োজন। এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023