শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

নন্দীগ্রামে উপবৃত্তির নামে ভুয়া এসএমএস

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

বগুড়ার নন্দীগ্রামে উপবৃত্তির টাকা দেওয়া হচ্ছে এমন তথ্য জানিয়ে বিভিন্ন মোবাইল নম্বর দিয়ে ভুয়া মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, প্রতারণার উদ্দেশ্যেই এমন মেসেজ (এসএমএস) পাঠানো হতে পারে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা তুলতে যাদের ব্যাংক হিসাব দেওয়া আছে, তাদের উপবৃত্তি টাকা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়। আর যাদের ব্যাংক হিসাব নেই, তাদের টাকা বিভিন্ন মোবাইল ফিনান্সিয়াল সেবা (বিকাশ, নগদ, রকেট) ইত্যাদি ব্যবহার করে পাঠানো হয়। সরাসরি কোনো মোবাইল নম্বর থেকে এভাবে কল বা এসএমএস পাঠিয়ে দেওয়া হয় না।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার পৌর এলাকার জুথী রানীর মোবাইল ফোনে এমন একটি মেসেজ (এসএমএস) এসেছে। তাতে লেখা আছে প্রিয় স্টুডেন্ট, তোমাদের উপবৃত্তির টাকা দেওয়া হচ্ছে ৪২০০ টাকা। যোগাযোগ: ০১৮১৯১৩৭২৫২। ওই মেসেজটি (এসএমএস) পাঠানো হয় ০১৮৩১৮৩৮০৫৩ নম্বর থেকে। তবে জুথী রানী সরকারি আজিজুল হক কলেজের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।
পরে ০১৮১৯১৩৭২৫২ নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তাছাড়া যে নম্বর থেকে মেসেজ (এসএমএস) এসেছে, ওই নম্বরে একাধিকবার কল করলে সেটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

পৌর এলাকার কুবির চন্দ্র জানান, বগুড়া বিএম মডেল হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেন তিনি । এমন মেসেজ (এসএমএস) তার মোবাইল ফোনেও এসেছে। তবে নম্বর আলাদা ছিল।

উপবৃত্তির এমন এসএমএস চাকরিজীবি থেকে শুরু করে সব ধরনের লোকজনকে দেওয়া হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতারণার উদ্দেশ্যেই এমন মেসেজ (এসএমএস) পাঠানো হতে পারে।

নন্দীগ্রাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আজম জানান, এমন মেসেজের (এসএমএসের) কথা শুনেছি। আমার মনে হয় প্রতারণার উদ্দেশ্যেই এমন মেসেজ (এসএমএস) পাঠানো হচ্ছে।

জানতে চাইলে নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাইয়ুম বলেন, এগুলো ভুয়া এসএমএস। যাদের টাকা আসবে এমনিতেই চলে আসবে। কোনো ধরনের মেসেজ পাঠানো হবে না। এ ধরনের এসএমএসের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত না হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023