শিরোনাম :
অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ : গ্রেফতার ২ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস: শাজাহানপুর ইউএনও’র ঈদের শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন কাল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৯৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন রোববার। গণভবন থেকে এগুলো ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন তিনি। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এই পাঁচ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে তিনটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি। দুটি গ্যাসচালিত আর তিনটি ফার্নেস অয়েলভিত্তিক। সরকারিগুলোর মধ্যে রয়েছে হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিবিয়ানা-৩ বিদ্যুৎকেন্দ্র। ৪০০ মেগাওয়াটের এ কেন্দ্রটি গ্যাসচালিত। সিলেটে পিডিবির ৮৯ মেগাওয়াটের আরেকটি গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বাগেরহাটে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ১০৫ মেগাওয়াটের মধুমতি বিদ্যুৎকেন্দ্রও রয়েছে উদ্বোধনের তালিকায়। এটি ফার্নেস অয়েলচালিত। বেসরকারি কেন্দ্র দুটির মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ওরিয়নের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। ১০৫ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি ফার্নেস অয়েলে চলে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে এর্কন ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জুলদা ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্র উদ্বোধন করা হবে। এটিও ফার্নেস অয়েলচালিত।

গত ১২ বছরে দুই কোটি ৯৯ লাখের বেশি নতুন গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছেন। এর ফলে দেশের ৯৯.৯৯ শতাংশ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। বেড়েছে বিদ্যুতের মাথাপিছু ব্যবহারও, যা প্রায় ১৪৬ শতাংশ। ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই হার ছিল মাত্র ৪৭ শতাংশ। ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল চার হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। সেটি বেড়ে হয়েছে ২৫ হাজার ২৩২ মেগাওয়াট। ১২ বছরে বেড়েছে ২০ হাজার ২৯৩ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে যেখানে বিদ্যুতের গ্রাহক ছিল মাত্র এক কোটি আট লাখ, সেখানে ১২ বছর পর গ্রাহক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার কোটি সাত লাখে। বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল ২৭টি, এখন বেড়ে হয়েছে ১৪৬টি। ১২ বছর আগে দৈনিক সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল তিন হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট। ২০২১ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ৭৯২ মেগাওয়াট। উৎপাদন বেড়েছে ১০ হাজার ৫৪২ মেগাওয়াট।

২০০৯ সালে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন ছিল আট হাজার সার্কিট কিলোমিটার, তা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৮৪৮ সার্কিট কিলোমিটার। গ্রিউ উপকেন্দ্রের ক্ষমতা ১৫ হাজার ৮৭০ এমভিএ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫২ হাজার ৩৬৪ এমভিএ। বিতরণ লাইন ১২ বছরে সাড়ে তিন লাখ কিলোমিটার বেড়ে এখন ছয় লাখ ১৩ হাজারে পৌঁছেছে। সেচ সংযোগ সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৩৪ হাজার, এখন হয়েছে চার লাখ ৪৬ হাজার। সিস্টেম লস ১৪.৩৩ ভাগ থেকে নেমেছে ৮.৪৯ ভাগে। ২০০৯ সালের দিকে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন (ক্যাপটিভসহ) ছিল ২২০ কিলোওয়াট/আওয়ার, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৫৬০ কিলোওয়াট/আওয়ার।

জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি প্রয়োজন। আমরা সে বিষয় মাথায় রেখেই কাজ করছি। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এখন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। তাই এখন অর্থায়ন আমাদের জন্য কোনো সমস্যাই নয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023