শিরোনাম :
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান

শিক্ষার্থী আছে নেই বিদ্যালয়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরবালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি মেঘনা নদীর ভাঙনে তলিয়ে গেছে। চোখের সামনেই ২০ জুন ভবনটি নদীর পেটে যায়।

এদিকে, করোনাভাইরাসের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ ছিল। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় পর রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) খুলছে এসব প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় ভবন না থাকায় কোথায় যাবে চরবালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা- এ নিয়ে চিন্তিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চরবালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই তলা বিশিষ্ট ভবন করা হয়। করোনার আগে এ বিদ্যালয়ে ২৫২ শিক্ষার্থী ছিল। নদীর ভাঙনের কারণে ২০ জুন বিদ্যালয় ভবনটি পুরোপুরি তলিয়ে যায়। এর আগে কয়েকদিন ধরে তা ভাঙছিল। চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার ও জবির জানায়, তারা আগের দিন গিয়ে ভেঙে যাওয়া অবস্থায় স্কুলটি দেখেছে। পরদিন সকালে গিয়ে দেখে, সেখানে কিছুই নেই। নদী আর নদী। তখন তারা সবাই মিলে অনেক কান্নাকাটি করেছে।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলো তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রী আছে শুধু আমাদের স্কুলটি নেই। এ কথা ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যায়। রোববার আপাতত আমরা পাশের একটি মক্তবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান পরিচালনা করবো। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতিও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যে মক্তবে এখন ক্লাস হবে, সেটিও নদী থেকে আধা কিলোমিটার দূরে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যে এ ঠিকানাও হয়তো আমাদেরকে হারাতে হবে। এছাড়া লোকজন ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্য জায়গায় চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীও কমে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে রামগতি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আহসান বলেন, নদীতে ভেঙে যাওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আপাতত পাশের একটি মক্তবে পরিচালিত হবে। ছাত্রছাত্রীদের মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেখানে আসার জন্য বলা হয়েছে।

নদীর অব্যাহত ভাঙনে কয়েকবছরে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হারিয়ে গেছে। একাধিকবার স্কুল, মাদরাসা অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে পরিচালনা করলেও পরে আবার ভাঙনের কবলে পড়তে হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023