শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বগুড়ায় ক্লিনিক নিয়ে দ্বন্দ্বে শেয়ার মালিককে ইনজেকশন দিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

বগুড়া সদর উপজেলার পীরগাছায় সাতজনের শেয়ারে গড়ে ওঠা একটি ক্লিনিকের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে শেয়ার মালিক সেলিম হোসেনকে (২৭) খুন করা হলো। এর দুই মাস আগে সেলিমের ছোট ভাই শাহীন মারা গিয়েছিলেন ইনজেকশন পুশ করার পরপরই। পুলিশ দুই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ইতোমধ্যে বগুড়া সদর থানা পুলিশ ইনজকেশন পুশকারী ক্লিনিকের আরেক মালিক সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার গ্রেফতারের পর সাদ্দাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বাীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেলিম হোসেনের হাতের ক্যানুলা দিয়ে ওই ইনজেকশন পুশ করে, হত্যা করা হয়। সেলিম জেলার গাবতলী উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের বড় ভাই আব্দুস সামাদ। সাংবাদিকদের আব্দুস সামাদ জানান, ৭ জনের পার্টনারে বগুড়া সদর উপজেলার পীরগাছা বাজারে ৯ মাস আগে ক্লিনিকটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ৭ জনের মধ্যে তাদের পরিবারের ৪ জনের অর্ধেক এবং গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের জিন্নাহ মিয়ার ছেলে সাদ্দামের একারই অর্ধেক শেয়ার ছিল। সাদ্দাম নিজেই ক্লিনিকে সেবক (নার্স) দায়িত্বে এবং সেলিম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করতেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার সময় সেলিম ক্লিনিকে থাকা অবস্থায় অসুস্থ বোধ করলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ সেলিমকে স্যালাইন দিয়ে বেডে রাখা হয়। ভর্তির কিছু পর সেখানে সাদ্দাম হোসেন গিয়ে সুযোগ বুঝে ইনজেকশন বের করে, সেলিমের হাতে লাগানো ক্যানুলা দিয়ে পুশ করেন। তখন তিনি জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, গ্যাসের ইনজেকশন পুশ করেছেন। প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে সেলিম হোসেন মারা গেলে, সাদ্দাম হোসেনকে সেখানেই আটক করা হয় এবং তার পকেট থেকে ব্যবহৃত চেতনানাশক ইনজেকশনের অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

আব্দুস সামাদ আরও জানান, গত ৭ জুলাই তার আরেক ছোট ভাই শাহীন আলম (২৪) অসুস্থ বোধ করলে পীরগাছা বাজারে তাদের ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্যালাইনের মাধ্যমে ইনজেকশন পুশ করার পর রাতে শাহীন মারা যান। পরে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। শাহীনের মৃত্যুর ঘটনায় সাদ্দামকে কেউ সন্দেহ করেনি। কিন্তু এবার সাদ্দমের ঘটনা ফাঁস হয়ে গেছে।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সেলিমকে হত্যার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছেন সাদ্দাম। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত সেলিমের বড় ভাই। গ্রেফতার সাদ্দামকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023