স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
বগুড়ার জেলা জজ আদালতের একটি মামলার রায়ের কার্যকারিতা বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় কেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে দর্শানোর জন্য সদর থানার এস আই মো: আব্দুল ওয়াদুদকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সেইসাথে আদেশের কপি পুলিশ সুপার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং এস. আই আব্দুল ওয়াদুদের বরাবর প্রেরনের জন্য আদেশে বলা হয়েছে।
বগুড়ার জহুরুল পাড়ার মোঃ আব্দুর রহমান আপীল্যান্ট হয়ে নামাজগড়ের ডা: তোফায়েল হোসেন ফেরদৌসকে রেসপনডেন্ট করে বগুড়ার ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতের একটি বন্টন মামলার গত ২৭ মে প্রদত্ত অস্থায়ী অর্ন্তবতী কালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশের অসম্মতিতে ওই মামলার বিবাদী আব্দুর রহমান জেলা জজ আদালতে মিস আপীল মামলা দায়ের করেন।
বগুড়ার সিনিয়র জেলা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার মিস আপীল মামলাটি উভয় পক্ষে শুনানী শেষে গত ১৯ আগষ্ট রায় প্রদান করেন। রায়ে আপীলটি মঞ্জুর করেন। সেইসাথে ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারাধীন বন্টন মামলার গত ২৭ মে প্রদত্ত অস্থায়ী ও অর্ন্তবত্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ রদ করে মুল মামলার চুড়ান্ত ডিক্রী না হওয়া পর্যন্ত আপীল্যান্ট বিবাদীর দাবীকৃত নালিশী ৬ শতক জমিতে দখল বিষয়ে স্থিতাবস্থায় বজায় রাখার জন্য উভয়পক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন। জেলা জজ আদালতের উক্ত রায় ও আদেশের পর বাদি ডা: তোফায়েল হোসেন ফেরদৌস মোবাইল ফোনে এস আই আব্দুল ওয়াদুদকে ডেকে আনলে নালিশী জমিতে এস.আই আব্দুল ওয়াদুদ, আপীল্যান্ট বিবাদি আব্দুর রহমানের কাজে বাধা দিয়ে গালিগালাজ করে কর্মরত মিস্ত্রিদেরকে মারপিট সহ গেফতার করা ও হুমকী প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে আপীল্যান্ট বিবাদি আব্দুর রহমান বগুড়ার জেলা জজ আদালতে আবেদন করেন।
গত ৫ সেপ্টেম্বর বগুড়ার সিনিয়র জেলা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এই মামলায় বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং এস আই আব্দুল ওয়াদুদ এর বক্তব্য শুনানী শেষে ওই আদেশ দেন।